মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• ডিজেলের বাড়তি খরচ সামলাতে কৃষকদের ৮ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের • প্রধানমন্ত্রীর এক ক্লিকেই ৩৯ হাজার কৃষক পেলেন ১২ কোটি টাকা • রোনালদোর ৪০ সেকেন্ডের বেতনেই জরিমানা পরিশোধ! • দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৬৬ • অর্থপাচার মামলায় এক দিনের রিমান্ডে দিলীপ আগরওয়ালা • ইশরাক কাজটা ভালোই করেছে, তবে হাতে অস্ত্র নেওয়া ঠিক হয়নি : স্পিকার • জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে না, বিএনপির এমন অভিযোগ হাস্যকর : গোলাম পরওয়ার • রংপুর সফর শেষে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী • বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে আপনাদের শকুনের মতো ছিঁড়ে খাবে আ. লীগ : রাশেদ খান • ইউনিয়ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করলে ছাড় নয়: আইনমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ড : সংসদে বিল পাস

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ড : সংসদে বিল পাস

ছবি : সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি অনুমোদন পায়। নতুন আইনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। সংশোধিত আইনে আরও কয়েকটি অপরাধের ক্ষেত্রেও শাস্তির মেয়াদ কমানো হয়েছে। বিলে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা গোপন করার মতো কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা বহনের চেষ্টা এবং পরীক্ষা পরিচালনাসংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্য করলেও একই মাত্রার শাস্তি দেওয়া যাবে। আইনে আরও বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায়ে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে বা তার পক্ষে অন্য কারও সঙ্গে লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করলে, কিংবা এমন চুক্তির চেষ্টা করলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সংশোধিত বিলে উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের বিরুদ্ধেও শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। কোনো পরীক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন (ওভার অ্যাসেস) বা অবমূল্যায়ন (আন্ডার অ্যাসেস) করলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নের মাধ্যমে অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়নের বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।

এ ছাড়া কোনো শিশু এ আইনের আওতায় অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সংশোধিত বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঠিকানা/এএস

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz