রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• অপূর্ণ রয়ে গেছে আইয়ুব বাচ্চুর যে স্বপ্নগুলো • সৌদিতে নজরদারি চালানোর সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত • জাতীয় স্বার্থে সরকার সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী • জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশের লজ্জার হার • হঠাৎ ঢাকায় আসছেন ফিফা সভাপতি • কুলাউড়ায় পূজামণ্ডপের পথে গাড়ি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ, শিল্পপতি আজম জে চৌধুরীর ক্ষোভ • জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান সিরিজই শেষ লিটনের • অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান • মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্তিনেস • কলকাতায় পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, আহত বহু দর্শনার্থী

রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

​১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি

​১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

বিজ্ঞাপন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তিচুক্তির চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত সম্পন্ন হয়েছে যা শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত এই সমঝোতা স্মারকে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো প্রধান বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে।

ইরানের একটি দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে যে আগামী ১৯ জুন দুই পক্ষ এই খসড়া সমঝোতায় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মত হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাবে।

সামরিক ও ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে নেওয়া বড় পদক্ষেপ হিসেবে খসড়া চুক্তি অনুযায়ী ইরান অবিলম্বে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজের যাতায়াতের জন্য কৌশলগত হরমুজ প্রণালিটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেবে। এর বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দরের ওপর গত কয়েক মাস ধরে জারি রাখা তাদের নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অর্থনৈতিক ও নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিষয়ে খসড়াটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে আর কোনো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে না। এর পাশাপাশি ওয়াশিংটন একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ইরানের ওপর থাকা তেল রপ্তানি সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে, যার ফলে তেহরান আন্তর্জাতিক বাজারে অবাধে জ্বালানি তেল বিক্রি করার এবং তার উপার্জিত রাজস্ব সরাসরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংকে অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ হয়ে থাকা ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলারের বিশাল সম্পদ ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছে। এই আটকে থাকা অর্থ সরাসরি নগদ তহবিল স্থানান্তর, আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বিশেষ আর্থিক ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ইরানকে ফেরত দেওয়া হবে।

সবচেয়ে সংবেদনশীল পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে তেহরান এই খসড়া চুক্তিতে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ইরান কখনো কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বা তা অর্জনের চেষ্টাও করবে না। চূড়ান্ত চুক্তি পুরোপুরি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের পরমাণু কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখবে, যার অর্থ এই সময়ে নতুন করে কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করা যাবে না এবং পরমাণু স্থাপনাগুলোর বর্তমান পরিধিও আর সম্প্রসারণ করা যাবে না। সূত্র: আল আরাবিয়া

ঠিকানা/এসআর

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz