বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

​শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়া কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ

​শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়া কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ

ফলাফল পেয়ে কাদির মোল্লা স্কুলছাত্রীদের উল্লাস। ছবি : সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
নরসিংদীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ও শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের পেছনে নিয়মবহির্ভূত কৌশল অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সার্বিক সত্যতা যাচাই ও ব্যাখ্যা চেয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

গত ১৬ আগস্ট (রবিবার) ঢাকা বোর্ডের এক অফিস আদেশে এই শোকজ নোটিশ জারি করা হয়। শিক্ষা বোর্ডের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ সাফল্য ও রেকর্ডসংখ্যক জিপিএ-৫ অর্জন নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বোর্ডের নজরে আসার পর এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করতে নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস কর্তৃপক্ষকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কারণ দর্শানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কাছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র ও তথ্য চেয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সেগুলো হলো- নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের তথ্য। ভর্তি সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র। এসএসসির নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণকারী শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত তথ্য।

শিক্ষা বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এটি একটি ‘অত্যন্ত জরুরি’ নির্দেশনা। নির্ধারিত সাত কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিক্ষা বোর্ডের বিধি অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নরসিংদীর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ফলাফলের শতভাগ সাফল্য ও জিপিএ-৫-এর ধারা বজায় রাখতে এবং কৃত্রিম বা ভুঁইফোড় সাফল্য দেখাতে নির্বাচনী পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের ইচ্ছেকৃতভাবে বাদ দেওয়া বা ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার মতো নিয়মবহির্ভূত কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। গণমাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা বোর্ড এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সত্যতা অনুসন্ধানে এই নির্দেশ দেয়।

ঠিকানা/এএস 

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz