রংপুরে ৪ খুন : সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই ডিবি হেফাজতে
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৩:০২
•
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় নতুন করে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছেন মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ডিবি হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন মামলায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় চন্দ্র দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস।
ডিবি সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর কয়েক দিন ধরে বিনয় চন্দ্র ও পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আসতে বলা হচ্ছিল। তবে তারা এতে সাড়া দেননি। আজ শনিবার বিকেলে পুলিশ তাদের আনতে গেলে পার্থ দাস ঘরের ভেতরে অবস্থান নেন। পরে দুজনকেই ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
ডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, চার হত্যাকাণ্ডে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা তাদের বাসায় গিয়ে বলে এসেছিলাম, আপনারা একটু আসেন; আপনাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব। কিন্তু তারা আসেননি। তারা বারবার বলেছেন, আমরা কেন যাব। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। তারা এখন আমাদের কাছে আছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
তাদের হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চাইলে সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব। বাড়ির সঙ্গে বাড়ি, তার ছেলে ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছে। আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব, তারপর সিদ্ধান্ত।’
মাছুয়াপাড়ায় গত সপ্তাহে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে পুলিশের বক্তব্যে বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তন আসায় শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। মামলার তদন্ত এখন ডিবি করছে।