বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
কাজী নজরুল ইসলাম

নিজস্ব আলোকে

নিজস্ব আলোকে

বিজ্ঞাপন
ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন বাঁকে আমরা বিমুগ্ধ হই কবিতা আর সংগীতের স্পর্শে। একেক সময় একেক কবি আমাদের গভীরে অনুরণিত হয়েছেন। আপন হয়েছেন। উদ্বেলিত হয়ে আমরা তাদের সত্ত্বায় মিশে গিয়েছিলাম। ছোটবেলায় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, কৈশোরে সুকান্ত, প্রথম যৌবনে অনন্য উপমায় জীবনানন্দ দাস আমাদের আচ্ছন্ন রেখেছেন। সবার কাছে আমি সবিনয়ে কৃতজ্ঞ। জীবন যখন নিজস্ব গণ্ডির বাইরে পথে নামাল, তখন কল্পনার জগৎ থেকে ছিটকে পড়লাম। কলেজ-জীবন থেকেই অনুভবের শুরু।

উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, স্বজন হারানোর ব্যথা, দুঃখী মানুষের দৈনন্দিন জীবনসংগ্রাম, হাজার বছরের লালিত সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তি, প্রতিহিংসা, অহংবোধ আর অহেতুক বিভাজন মানুষকে রূপান্তরিত করে চলেছে।

সেই সময়ে সাম্যবাদী এক অসাধারণ কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমার কাছে এক পাথেয় হয়ে আবিষ্কৃত হলেন। অবাক হয়ে জানতে ইচ্ছে হতো, কীভাবে এই মানুষটি জীবনের সব খুঁটিনাটি বিষয়ে ও গভীরভাবে অনুভব করেছিলেন আর তার সৃষ্টিতে স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
সেই অনিশ্চিত সময়ে তার আবির্ভাব ছিল একটি আশীর্বাদ। দশম শ্রেণিও যে শেষ করতে পারেননি, তার জ্ঞান আর অভিজ্ঞতার পরিধি ছিল আকাশছোঁয়া। জগতের অন্যায় আর অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার জন্য তিনি হয়ে উঠলেন এক অবিস্মরণীয় কান্ডারি।

সেই সময়ে ব্রিটিশ কর্তৃক হিন্দু-মুসলিমকে দ্বিধাবিভক্ত করার জন্য সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পকে উসকে দিয়েছে। সংখ্যাগুরু হিন্দুদের বেশি ক্ষমতা দেওয়া আর সংখ্যালঘু মুসলিমদের দাবিয়ে রাখার জন্য অলিখিত একটি প্রচারণা ছিল বিদ্যমান। নজরুল দ্বিধাবিভক্তি কমানোর জন্য বলে উঠলেন, বাংলার দুটি অঙ্গ। একটি হিন্দু আর একটি মুসলমান। মুসলিম অঙ্গটি দুর্বল হয়ে গেছে। তাই এতে শক্তি সঞ্চার করতে হবে। বাংলার শক্তি আর শান্তি আনতে হলে দুই অঙ্গই শক্তিশালী করতে হবে। মুঘল সম্রাটের পরাজয়ের পর মুসলিমরা অভিমানে ইংরেজি শিক্ষা বর্জনসহ ব্রিটিশদের সকল উন্নত হওয়ার কাজগুলোও বয়কট শুরু করলেন। এমনকি বাংলা ভাষাও বর্জন করে উর্দু, ফারসিকে প্রাধান্য দিতে শুরু করলেন। তারা ভুলে গেলেন একসময় ব্রাহ্মণরা বাংলা ভাষাকে নমঃশূদ্রের ভাষা বলে অবজ্ঞা করত। মুসলিম শাসকরা বাংলা ভাষার সমৃদ্ধির জন্য অনুদান আর বড় অবদান রেখেছেন। তাই পিছিয়ে পড়া আর বিভ্রান্ত তরুণ মুসলিম বাঙালি সমাজকে নজরুল বাংলা ভাষা, ইসলামিক ঐতিহ্য আর ভারতের পরাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করতে লাগলেন। দ্বিধাহীন কণ্ঠে গাইলেন, ‘বাজিছে দামামা বাধরে আমামা শির উঁচু করে মুসলমান, দাওয়াত এসেছে নয়া জমানার ভাঙা কেল্লায় উড়া নিশান।’ বাংলার সংগীত-জগতে বিভিন্ন অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন তিনি। তার মধ্যে নজরুলই প্রথম বাংলায় ইসলামি গান, গজল, বিভিন্ন রাগ-রাগিণী, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন বিদেশি সুর বাংলার গানে সংযোজিত করে তা সমৃদ্ধ করেছেন।

মুসলিমদের সম্মেলনে গিয়ে বক্তৃতা দিতেন, গান গাইতেন আর পত্রিকায় লিখে চলতেন। অনেকের ধারণা, কাজী নজরুল ইসলাম বাংলার মুসলিম সমাজকে ৪০০ বছর এগিয়ে নিয়ে এসেছেন। সবচেয়ে বড় আশ্চর্য হচ্ছে সেই সঙ্গে তিনি ছিলেন একজন সম্পূর্ণ অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী কবি। হিন্দুধর্মের সবচেয়ে সুন্দর আর হৃদয় স্পর্শ করা শ্যামা সংগীতের স্রষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম। সাঁওতাল সংগীত আর সুর বাঁধতে গিয়ে তিনি সাঁওতালপাড়ায় থেকে যেতেন। মিশে যেতেন তাদের জীবনের সঙ্গে। এই সংবেদনশীল কবির কবিতায় কোনো দুঃখী মানুষের কথাই বাদ পড়েনি। নারীদের নিয়ে, কুলি-মজুরে কথা, এমনকি যাদের কথা কেউ বলে না সেই অস্পৃশ্য পতিতাদের নিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘কে বলে তোমায় বারাঙ্গনা মা, কে দেয় থুথু ও গায়ে। হয়তো তোমায় স্তন্য দিয়েছে সীতা-সম সতী মায়ে, না-ই হলে সতী, তবু তোমরা মাতা-ভগিনীরই জাতি, তোমাদের ছেলে আমাদেরই মত, তারা আমাদেরই জ্ঞাতি।’

সব ধর্মের ওপর অসাধারণ জ্ঞান এবং সম্মান ছিল তাঁর। যে যেভাবেই যে তার স্রষ্টাকে ডাকুক, তার কাছে মানুষ ধর্মই ছিল সবচেয়ে বড়। তিনি যা বলতেন, তাই নিজের জীবনের প্রতিটি ক্ষণে তা প্রতিফলিত করার সাহস রাখতেন। প্রমীলাকে বিয়ে করার সময় নজরুল তাকে ধর্মান্তরিত করার কথা বললেন না। বললেন, ‘আমি মানুষকে বিয়ে করছি ধর্মকে নয়।’ তা ছাড়া ইসলাম ধর্মের থেকেও সুন্দর ব্যাখ্যা দিলেন। নজরুল বললেন, ‘কোরান শরীফে আছে একজন মুসলিম অন্য ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে যে ধর্মের গ্রন্থ আছে এবং তারা একঈশ্বরবাদী।’ আপাতদৃষ্টিতে বহু মূর্তি বা ভগবান পূজা করার সংস্কৃতি থাকলেও আদি হিন্দু গ্রন্থ বেদ, তাতে লিখা আছে একঈশ্বরবাদী। সেই সময় সবার এই উৎকণ্ঠাকে আমল দেননি নজরুল। জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহও নজরুলের এই বিশ্লেষণকে সমর্থন করেছিলেন। তা ছাড়া ধর্মকে নিয়ে তখন বিভাজন তুঙ্গে। নজরুল ছিলেন অবিচল। ধর্মের নামে সব অধর্মের বিরুদ্ধে তার লেখনী আর সংগ্রাম ছিল আকাশচুম্বী। সেই সময় তার সমমনা কেউই ছিলেন না। তিনিই প্রথম ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তার পত্রিকা ধূমকেতু সবাইকে নাড়া দিয়েছিল। তার বই বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাকে জেলে বন্দী করা হয়েছে তবু জেল থেকেই গাইলেন শিকল ভাঙার গান। রবীন্দ্রনাথ তার বই নজরুলকে উৎসর্গ করলেন।

সাম্যবাদী, অসাম্প্রদায়িক আর বিদ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলামকে তাই হিন্দু এবং মুসলিম নেতৃবৃন্দ নিজেদের মতাদর্শকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য কঠিনভাবে বিরোধিতা করলেন। তারা তাকে অপমানও করেছেন। নজরুল ছিলেন আপসহীন এক চির উন্নত শির।
আমার জীবনে তাই কাজী নজরুল ইসলাম একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠলেন। যুদ্ধ, সংগ্রাম, মানবতার জন্য ভালোবাসা, দুঃখী মানুষের কাছে দাঁড়ানো, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা আর সৎ মানুষ থাকার সংকল্প আচ্ছন্ন করে রাখত।

১৯৯০ সালে আমেরিকার নিউজার্সিতে শিল্পী আর সংগঠক মাহমুদ বিল্লার নেতৃত্বে ‘সৌখিন শিল্পীগোষ্ঠী’ প্রথম নজরুল সম্মেলন উপস্থাপন করল। নজরুলসংগীতের কিংবদন্তি ফিরোজা ছিলেন প্রধান অতিথি। তার বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বললেন, ‘নজরুলের কর্মজীবনের স্বল্প আয়ু নিয়ে বিশাল সাহিত্যসম্ভার ছিল অকল্পনীয়। তার জীবন ছিল একটি খোলা বইয়ের মতন। তাই নজরুল ইসলাম ছাড়া আমি তো সম্মান করার মতন আর একজনও দেখি না।’

কথাটি আমাকে নাড়া দিয়েছিল। আমি সেবার অতি উৎসাহে কাজী নজরুলের ওপর একটি স্লাইড শো বানিয়েছিলাম। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার বাংলা লাইব্রেরি সেকশন থেকে ১০টি বই পড়লাম আর বিভিন্ন বই থেকে ১৫০টি নজরুলের ছবি ক্যামেরায় তুললাম। সেই সময় বাংলাদেশে নজরুল ইনস্টিটিউটে (কবি ভবন) মাত্র ৫০টি ছবি ছিল। আমার অনভিজ্ঞ হাতের স্লাইড ডকুমেন্টারি টেকনিক্যালি অতটা ভালো হয়নি হয়তো কিন্তু হয়ে গিয়েছিল হৃদয়গ্রাহী পরিবেশন। পরবর্তীতে এটি সিডিতে নিলে কয়েকটি অনুষ্ঠানে দেখানো হয়েছে। প্রবাসে নজরুলের ওপর যে কিছু কাজ হচ্ছে, তা দেখানোর জন্য ২০০৭ সালে ঢাকায় কবি ভবনে তা দিয়ে এসেছিলাম। শুনেছি তারা সেই বছরের মে মাসে অনেকবার দেখিয়েছে।

নজরুল সম্মেলনের পর উত্তর আমেরিকা নজরুল কনফারেন্সের কমিটি সংঘটিত হলো। তার ধারাবাহিকতায় প্রতি দুই বছর বিভিন্ন শহরে উৎসাহী সংগঠন আর ব্যক্তি পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে অনুষ্ঠান করেন। এই দুঃসময়ে নজরুল খুবই সাম্প্রতিক। তাই নজরুলের সৃষ্টি আর সংগ্রামকে বিশ্বায়ন করা প্রয়োজন। এমনকি আমাদের নিজেদের এবং প্রজন্মদেরও নজরুলকে পরিচিত করানো দরকার।

প্রবাসে নিজেদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য আর অমূল্য সংস্কৃতির ইতিহাস আমাদেরকেই সম্মানের আসনে বসাবে। ফিলাডেলফিয়ার আমার মেডিকেল কলেজের কিডনি বিভাগের প্রধান একজন নারীবাদী ইহুদি মহিলাকে ড. সাজেদ কামালের অনূদিত কাজী নজরুল ইসলামের ‘নারী’ কবিতার অনুবাদ পড়তে দিয়েছিলাম। সে এতই মুগ্ধ হয়েছিল যে সে বহুদিন এমনকি অনেক কনফারেন্সেও উল্লেখ করত, ‘ডা. আহমেদের দেশের কবি ১০০ বছর আগে নারীদের জন্য যা বলে গিয়েছেন, তা নিয়ে আমরা এখনো হিমশিম খাচ্ছি।’ কাজী নজরুল ইসলামকে পরিচিত করতে গিয়ে আমি নিজেই সম্মানিত হতাম।

তাই নজরুলের বিশ্বায়ন করা প্রয়োজন। আজ উত্তর আমেরিকায় সব শহরেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নজরুলের সংগীত আর নৃত্য পরিবেশন করা হয়। কিন্তু বিশ্বায়নের জন্য কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। যে কজন কাজ করছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছেন ড. গুলশান আরা পুষ্প আর কাজী বেলাল দম্পতি। প্রথম থেকেই তারা নিবেদিত। তাদের উদ্যোগে আজ ক্যালিফোর্নিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটি আর ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাটে কাজী নজরুলের ওপর নজরুলচেয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়ে নজরুলের ওপর পড়ানো হয়। আমেরিকার বিদেশি ছাত্ররা নজরুলকে জানতে পারছে। উদ্বুদ্ধ হয়েছে তার চিন্তাভাবনায়। এই দুই দম্পতি বাংলাদেশ এবং চুরুলিয়ায় নজরুলের ওপর সেমিনার করছেন। তারা আমেরিকান স্কলার, ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসের প্রাক্তন প্রো-ভিসি ড. উইনস্টন ল্যাংলি আর কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. রেচেল ম্যাকডরমেটকে সংযুক্ত করেছেন এবং সঙ্গে করে বাংলাদেশেও নিয়ে যাচ্ছেন। ড. ল্যাংলি ইতিমধ্যে দুটি বইও লিখেছেন। ড. ল্যাংলি ড. সাজেদ কামালের অনুবাদ পড়ে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাই কাজী নজরুল ইসলামের লেখার ভালো আরও অনুবাদ দরকার। তবে আমেরিকার বাঙালি প্রজন্ম আর যারা আমেরিকায় ইংরেজি সাহিত্যে লেখালেখি করেন, তাদের সংশ্লিষ্টতায় ভালো অনুবাদ হতে পারে। তা ছাড়া নজরুলের রয়েছে বিশাল সাহিত্যসম্ভার। সেগুলো খণ্ড খণ্ড করে বিভিন্ন বিষয়ে অনুবাদ বেশি করলে পাঠক জন্ম হবে।

আমাদের এ ব্যাপারে আরও সচেতন হওয়া আর সহায়তা করা দরকার। আমি আশা করব, যারাই আগ্রহী তারাই এই কাজটিতে দায়িত্ব নিতে পারবেন। যেহেতু জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে অনেক সংগঠন-কর্তার আগ্রহ নাও থাকতে পারে। তাই সংগঠন নিয়ে অথবা নিজেরাই সংঘবদ্ধ হয়ে অথবা যারা এ ব্যাপারে কাজ করছেন, তাদের সঙ্গে সহায়তা করেও সংযুক্ত হতে পারবেন।

উত্তর আমেরিকা নজরুল কনফারেন্স কমিটির নেতৃত্বে ১৯৯০ সালের ছোট পদযাত্রা আজকে অনেকের কাছে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বর্তমান সভাপতি ওয়াশিংটন ডিসির মোশাররাফ হোসেন অসুস্থ থাকার পরও একজন নিরলস কর্মী। সদস্য ও সংগঠক কবির কিরণ কাজী নজরুল ইসলামের ওপর তার শতদল টিভির মাধ্যমে নিয়মিত অনুষ্ঠান করেন। বাংলাদেশেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তা ছাড়া নজরুল একাডেমির সদস্যরা নিউইয়র্কে প্রায়ই কাজী নজরুলের ওপর অনবদ্য অনুষ্ঠান করে থাকেন।

এবার একজন নজরুল-ভক্ত চিকিৎসক ডা. মাহতাব ওয়াশিংটন ডিসিতে নজরুল ইসলামকে বিশ্বের কাছে পরিচিতি করার জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এনডাওমেন্ট ফান্ড খুলেছেন। তাতে নজরুলের ওপর রিসার্চও করা হবে। তরুণেরা নজরুলের সংগীত, কবিতা, লেখনী আর জীবন থেকে বৈষম্যহীন এক সমাজ ও সাম্যবাদের শপথ নেবে।

সেই সঙ্গে ফিলাডেলফিয়ার সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ফেরদৌসজান কাজী নজরুল ইসলামকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করার জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল পরিকল্পনা করেছেন। তিনি আগামী বছরের মধ্যে ফিলাডেলফিয়ায় একটি বড় স্থাপনা প্রতিষ্ঠা করবেন। এই ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে তিনি বিশ্ব মানবতার কবি, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কবি, বাঙালির গর্ব, ঐতিহ্য, যুগান্তকারী কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, তার সৃষ্টি, তার মহিমাকে আমেরিকায় সর্বসাধারণের কাছে পরিচিত করার জন্য অভিলাষী।

আমরা নজরুল-প্রেমিকেরা এত দিন পরে দেখতে পাচ্ছি একটি আশার আলো।
লেখক : চিকিৎসক ও অধ্যাপক, মেডিসিন ও কিডনি বিভাগ, টেম্পলে ইউনিভার্সিটি, ফিলাডেলফিয়া। ইমেরিটাস অধ্যাপক, ড্রেক্সেল ইউনিভার্সিটি কলেজ অব মেডিসিন এবং ভাইস চেয়ারম্যান, উত্তর আমেরিকা নজরুল কনফারেন্স কমিটি।

নিউজটি শেয়ার করুন


© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz