শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• নোবেল শান্তি পুরস্কারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা • খাবারের টেবিলে ভিন্ন স্বাদ: সহজে বানান পনির পোলাও • আবুধাবি টেস্ট : দারুণ শুরুর পর বাংলাদেশের হতাশা • দ্রুততম সময়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ : রোসাটম • এআই দিয়ে লেখা শনাক্ত করবে ওপেনএআইয়ের নতুন ফিচার • চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশবিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক : বাণিজ্যমন্ত্রী • জামায়াত কোনোদিনই জাতীয় স্বার্থে রাজনীতি করেনি : রিজভী • ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আরও বিক্ষোভের পরিকল্পনা, উদ্বেগ জাতিসংঘের • মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী • সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ফুটবলের বয়স যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশি

বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ফুটবলের বয়স যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশি

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে স্কটল্যান্ডের ম্যাচে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছিল বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো বলে বিবেচিত একটি ফুটবল। প্রায় ৪৮০ বছর পুরোনো এই ঐতিহাসিক বলটি স্কটল্যান্ড ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে প্রদর্শনের জন্য আনা হয়েছিল।

ঐতিহাসিক নিদর্শনটি তৈরি করা হয়েছিল শূকরের মূত্রথলি দিয়ে। ধারণা করা হয়, এটি ১৫৪০-এর দশকের। অর্থাৎ বলটির বয়স যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠারও অনেক আগে।

১৯৭০-এর দশকে সংস্কারকাজের সময় স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক স্টার্লিং ক্যাসেলের কুইন্স চেম্বারের একটি কাঠের বিমের পেছনে বলটি পাওয়া যায়। পরে ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে স্কটল্যান্ডের স্টার্লিং স্মিথ আর্ট গ্যালারি অ্যান্ড মিউজিয়ামের সংরক্ষণাগারে এটি পুনরায় খুঁজে পাওয়া যায়। এর পর থেকে সেখানেই প্রদর্শিত হয়ে আসছিল ঐতিহাসিক এই ফুটবল।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে গত সপ্তাহে বলটি যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আনা হয়। তবে মাঠে স্কটল্যান্ড দলের জন্য এটি সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারেনি। মরক্কোর বিপক্ষে ১-০ গোলের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় স্কটিশদের।

স্কটল্যান্ডের ম্যাচ শেষে এখন বলটি নেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে। আগামী সপ্তাহে মায়ামির কোরাল গ্যাবলস মিউজিয়ামে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত এই বলকে খেলাটির কয়েক শতাব্দীর ঐতিহ্য ও বিবর্তনের একটি জীবন্ত সাক্ষী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz