প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬
•
অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আটক ধর্মীয় নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি দিয়েছে **গ্লোবাল বেঙ্গলি হিন্দু কোয়ালিশন (জিবিএইচসি)।
জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবরে লেখা এক খোলা চিঠিতে বিশেষভাবে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের চলমান আটক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাকে অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস একজন ধর্মীয় নেতা ও সংখ্যালঘু অধিকারকর্মী। তার আটক বাংলাদেশ ও প্রবাসী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
খোলা চিঠিতে সংগঠনটি সরকারের কাছে মূলত চারটি দাবি তুলে ধরেছে। এগুলো হলো-চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অবিলম্বে মুক্তি; ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যেসব নির্দোষ ব্যক্তি অন্যায়ভাবে আটক বা টার্গেট হয়েছেন বলে সংগঠনটি দাবি করছে, তাদের মুক্তি; দেশের সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা; এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নির্যাতনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা।
চিঠিতে আরো বলা হয়, ধর্ম বা জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। একই সঙ্গে অপহরণ, হয়রানি, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং সহিংসতার মতো ঘটনার অভিযোগ বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।
সংগঠনটি শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের পক্ষে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে আশা প্রকাশ করেছে যে সরকার সব নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন টরন্টোর অরুণ দত্ত, মন্ট্রিয়লের দিলীপ কর্মকার, সুইডেনের চিত্রা পাল, নিউইয়র্কের শীতাংশু গুহ এবং জেনেভার অরুণ বড়ুয়া।