প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪৭
•
অনলাইন সংস্করণ
ছবি : সংগৃহীত
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরি করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য সুস্থ, সুন্দর ও ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারা দেশে কমপক্ষে এক হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তিনি। ০৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইউনিয়নভিত্তিক খেলার মাঠ স্থাপন ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ প্রদান করেন।
নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন যে, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তুলতে হবে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ৪০টি এবং দক্ষিণ সিটিতে ৯০টি মাঠ খেলার উপযোগী করার প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন তিন থেকে সর্বোচ্চ আট বিঘা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় বৃহৎ এই ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি প্রধান ক্রীড়া ইভেন্টে দেশের প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিটি মাঠের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনা তদারকির জন্য প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বৈঠকে বিদ্যমান উপজেলা স্টেডিয়ামগুলো পুনরুজ্জীবিত করা, অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠ দ্রুত উদ্ধার এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ ও সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, দুই সিটির প্রশাসক এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ উপস্থিত ছিলেন।