শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• ফ্রান্স-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ২০২৬–২০২৭  মেয়াদের পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী কমিটি গঠন • আইসিসিকে ‘টুকরো টুকরো করে’ ভেঙে দেওয়ার হুমকি রুবিওর, মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ • আশুলিয়ায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন • পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা • কুইন্সে ১২ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে নাজিম উদ্দিন গ্রেপ্তার • লুটপাটের টাকায় সজীব ওয়াজেদ জয় বিদেশে ফুর্তি করছেন : রাশেদ খাঁন • মৃত্যুর আগে ১৫ মিনিট আইফোন চার্জ দেয় তাজমিন • গাজীপুরে বিকাশ এজেন্টের গাড়িতে গুলি চালিয়ে ৩ কোটি টাকা ছিনতাই • নোবেল শান্তি পুরস্কারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা • খাবারের টেবিলে ভিন্ন স্বাদ: সহজে বানান পনির পোলাও

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে গোল’ দেওয়া সেই বল

নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে গোল’ দেওয়া সেই বল

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। সেই বিশ্বকাপে অনবদ্য পারফরম্যান্সের পাশাপাশি হাত দিয়ে গোল করে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি। যাকে পরে ‘কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে’ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন ম্যারাডোনা। সেই গোলের সাক্ষী বলটি এবার নিলামে উঠছে।

নিলাম প্রতিষ্ঠান ‘হেরিটেজ অকশন’ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, বলটির প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ লাখ ডলার (প্রায় ৩০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা)। নিলামকারীদের ভাষ্য– স্মরণীয় সামগ্রী সংরক্ষণকারীদের কাছে এটি ‘হোলি গ্রেইল‘ বা সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত বস্তু হিসেবে বিবেচিত। ফলে বলটি ২০২২ বিশ্বকাপের সময় ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের ম্যাচে ম্যারাডোনা পরিহিত জার্সির সমমূল্য (৯.২ মিলিয়ন ডলার) হতে পারে বলে তাদের ধারণা।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা অবিস্মরণীয় ও আলোচিত দুটি গোল করেন। ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল ছাড়াও তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে আরেকটি গোল করেন, যা গোল অব দ্য সেঞ্চুরি নামে পরিচিত। কাতার বিশ্বকাপের সময় সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরিহিত জার্সি নিলামে তোলা হয়। এবার জার্সির মতো ম্যাচের বলটিও নিলামে উঠতে যাচ্ছে।

হেরিটেজের বিশেষজ্ঞ নিলামকারী মাইক প্রোভেনজাল রয়টার্সকে বলেন, এই বলটির সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের জন্য সরাসরি তুলনাযোগ্য কোনো উদাহরণ নেই। এটি সত্যিকারের এক এবং অদ্বিতীয় একটি সংগ্রহযোগ্য বস্তু। আবার এটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবল স্মারক হিসেবে যুক্তি দেওয়া যায়।

বিশ্বকাপের সময় কেন এসব স্মরণীয় সামগ্রী বিক্রি করা হয় সেটি জানিয়ে প্রোভেনজাল বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই ক্রীড়া সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর বাজারকে পরিচালিত করে। মূলত এখান থেকে এই বাজারের সূচনা এবং এখানে সংগ্রাহকের সংখ্যা অত্যন্ত বড়। সেই সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছেও।’

প্রোভেনজালের মতে, বাজারে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে আধুনিক সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর দ্রুত উত্থানের মাধ্যমে, বিশেষ করে ট্রেডিং কার্ডের ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের তারকা লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরে তৈরি কার্ডগুলোর জন্য ‘অবিশ্বাস্য উচ্চমূল্য’ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্বকাপের শেষ ৩২–এর ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সের ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে।

ঠিকানা/এনআই

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz