বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• ৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা, ২ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রী • ভোটে পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় নেতানিয়াহু, কী হতে যাচ্ছে ইসরায়েলে? • বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর • মস্তিষ্ককে সচল রাখতে প্রতিদিন সকালে যে ৫ কাজ করবেন • যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে যুবক নিহত • আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়া সেই জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি • লাল কার্ডকাণ্ডের পর ৬ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে নেইমার • আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী • জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : হুমায়ূন কবির • ‘ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের’

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন
​ইইউ রাষ্ট্রদূতকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

অনিয়মের জন্য ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

অনিয়মের জন্য ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

ছবি সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
অবৈধ অভিবাসনসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে কয়েকটি এজেন্সির অফিস সিলগালা করা হয়েছে এবং আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বৈধ অভিবাসন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সংস্থা ও সাংবাদিকদের নিয়ে শিগগিরই একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হবে।

সাক্ষাতে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বাংলাদেশের রেমিট্যান্সে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারের লক্ষ্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বিপুলসংখ্যক জনশক্তি পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান।

মিলার নৈতিক ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা, বৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ বাড়ানো এবং অতিরিক্ত ব্যয়ে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা বন্ধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা যাতে বৈধ উপায়ে ইউরোপে প্রবেশের সুযোগ পান, সে লক্ষ্যে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’সহ বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থা জোরদারে কাজ করবে ইইউ।

এ ছাড়া বাংলাদেশে ‘ইউরোপিয়ান ট্রেইনিং ফাউন্ডেশন’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বিদেশফেরত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে ইইউর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইনে ট্রেড ইউনিয়ন বা দল গঠনের স্বাধীনতা, ইপিজেড আইনের সঙ্গে সাধারণ শ্রম আইনের সামঞ্জস্যতা, শিশুশ্রম নির্মূল এবং নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী জানান, রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাই ও নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একাধিক পরিদর্শক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি পরিদর্শন শেষে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

এ সময় ইতালির সঙ্গে চলমান বৈধ অভিবাসন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘রেইজ’ প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়।

ঠিকানা/এএস 

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

 
© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Developed by SolveEz