৫ অগাস্ট নয়াদিল্লিতে একটি মতবিনিময় সভায় শেখ হাসিনার ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার আয়োজনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ কথা জানান।
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বক্তব্যসংক্রান্ত অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে হচ্ছে। এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই এবং ওই অনুষ্ঠানে প্রকাশিত কোনো বক্তব্যের দায় বা সমর্থনও সরকার বহন করে না।’
এদিকে, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিয়ে বাংলাদেশে আদালতের নির্দেশনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান গণমাধ্যমগুলোকে আদালতের আদেশ মেনে চলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন,‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। কেউ আগাম প্রচার বা পরে বক্তব্য প্রকাশ করলে তা আদালতের আদেশ অমান্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।’
ঠিকানা/এএস
ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বক্তব্যসংক্রান্ত অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে হচ্ছে। এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই এবং ওই অনুষ্ঠানে প্রকাশিত কোনো বক্তব্যের দায় বা সমর্থনও সরকার বহন করে না।’
এদিকে, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিয়ে বাংলাদেশে আদালতের নির্দেশনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান গণমাধ্যমগুলোকে আদালতের আদেশ মেনে চলার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন,‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। কেউ আগাম প্রচার বা পরে বক্তব্য প্রকাশ করলে তা আদালতের আদেশ অমান্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।’
ঠিকানা/এএস