চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ফলে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই ভারত চলে গিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন তিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তাহলে কীভাবে ফিরবেন? এই প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার নামে দেশে হত্যা মামলা আছে। তাই আমাদের সরকারও তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে চায়। এ অবস্থায় তাকে ফেরাতে হলে আইনগত প্রক্রিয়া দরকার। যা দুই দেশের সরকারের মধ্যে কোনো বোঝাপড়া না হলে সম্ভব নয়। তার পরও যেকোনোভাবে হাসিনা যদি ফিরে আসেন, তাহলে তাকে অবশ্যই ট্রায়াল ফেস করতে হবে।’
৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। যেখানে সরকার ও রাজনীতির নানা বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসে তিনি দেশে ফিরে আসবেন। এটা দেশের অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কিন্তু স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা একাধিকবার জানিয়েছেন, তার ‘কমনসেন্স’ বলছে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসবেন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেন, তাহলে আওয়ামী লীগও আর দেশের মাটিতে ফিরতে পারবে না। এই দলটির জন্য তার পরিবারের অনেক ত্যাগ আছে। দলটিকে রক্ষা করার ব্যাপার আছে। এসব বিবেচনায় মনে হয় তিনি ফিরে আসতে পারেন, বলেন রুমিন ফারহানা।
এদিকে বুধবার (৫ আগস্ট) দিল্লিতে হওয়া শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ প্রকাশিত হয়নি বাংলাদেশের কোনো গণমাধ্যমে। কারণ বিএনপি সরকার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল, এ ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এমন উদ্যোগ অর্থহীন বলে মনে করছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে একই উপায়ে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের সংবাদ প্রকাশ করতে দেয়নি। কিন্তু এতে তার কোনো ক্ষতি হয়নি। মানুষ ঠিকই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবকিছু জেনেছে। সেই তারেক রহমান এখন প্রধানমন্ত্রীও হয়েছেন। তাই সংবাদ প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারির যেকোনো উদ্যোগ সরকারের জন্যই নেতিবাচক বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে একমত হলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম। তিনি আরও যোগ করেন, শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া উচিত। এটা নিয়ে বিএনপি সরকার প্রতিক্রিয়া দেখানোর কারণে এর গুরুত্ব উল্টো আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের সংকট, জিনিসপত্রের দাম বেশি- এসব বিষয় হাসিনার সম্মেলন-বিষয়ক আলোচনার কারণে আড়ালে চলে গেছে। এটা সরকারের জন্য হয়তো ভালো। আবার আলোচনায় আসতে পারায় আওয়ামী লীগও লাভবান হলো। তাই বিএনপির উচিত হাসিনার কর্মকাণ্ডে মনোযোগ না দিয়ে জনগণের নিত্যদিনের সংকট যা যা আছে, সেগুলো সমাধানে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া, মন্তব্য করেন অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।
ঠিকানা/এনআই
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার নামে দেশে হত্যা মামলা আছে। তাই আমাদের সরকারও তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে চায়। এ অবস্থায় তাকে ফেরাতে হলে আইনগত প্রক্রিয়া দরকার। যা দুই দেশের সরকারের মধ্যে কোনো বোঝাপড়া না হলে সম্ভব নয়। তার পরও যেকোনোভাবে হাসিনা যদি ফিরে আসেন, তাহলে তাকে অবশ্যই ট্রায়াল ফেস করতে হবে।’
৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। যেখানে সরকার ও রাজনীতির নানা বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসে তিনি দেশে ফিরে আসবেন। এটা দেশের অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কিন্তু স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা একাধিকবার জানিয়েছেন, তার ‘কমনসেন্স’ বলছে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসবেন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, শেখ হাসিনা যদি দেশের বাইরেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেন, তাহলে আওয়ামী লীগও আর দেশের মাটিতে ফিরতে পারবে না। এই দলটির জন্য তার পরিবারের অনেক ত্যাগ আছে। দলটিকে রক্ষা করার ব্যাপার আছে। এসব বিবেচনায় মনে হয় তিনি ফিরে আসতে পারেন, বলেন রুমিন ফারহানা।
এদিকে বুধবার (৫ আগস্ট) দিল্লিতে হওয়া শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ প্রকাশিত হয়নি বাংলাদেশের কোনো গণমাধ্যমে। কারণ বিএনপি সরকার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল, এ ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এমন উদ্যোগ অর্থহীন বলে মনে করছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে একই উপায়ে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের সংবাদ প্রকাশ করতে দেয়নি। কিন্তু এতে তার কোনো ক্ষতি হয়নি। মানুষ ঠিকই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবকিছু জেনেছে। সেই তারেক রহমান এখন প্রধানমন্ত্রীও হয়েছেন। তাই সংবাদ প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারির যেকোনো উদ্যোগ সরকারের জন্যই নেতিবাচক বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে একমত হলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম। তিনি আরও যোগ করেন, শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া উচিত। এটা নিয়ে বিএনপি সরকার প্রতিক্রিয়া দেখানোর কারণে এর গুরুত্ব উল্টো আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের সংকট, জিনিসপত্রের দাম বেশি- এসব বিষয় হাসিনার সম্মেলন-বিষয়ক আলোচনার কারণে আড়ালে চলে গেছে। এটা সরকারের জন্য হয়তো ভালো। আবার আলোচনায় আসতে পারায় আওয়ামী লীগও লাভবান হলো। তাই বিএনপির উচিত হাসিনার কর্মকাণ্ডে মনোযোগ না দিয়ে জনগণের নিত্যদিনের সংকট যা যা আছে, সেগুলো সমাধানে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া, মন্তব্য করেন অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।
ঠিকানা/এনআই