‘পাটোয়ারীকে মাইর দেওয়া কেবল শুরু’- নিউইয়র্কে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম। গত ৭ আগস্ট শুক্রবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত আলোচনা ও স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
কোন প্রেক্ষাপটে এবং কাকে উদ্দেশ করে ‘পাটোয়ারীকে মাইর দেওয়া কেবল শুরু’ মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়ে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন, বিশ্বাস করেন, আমরা সহ্য করতে পারছি না। ওনার সম্পর্কে বাজে ভাষা ব্যবহার করছে এই পাটোয়ারী ও তুষার। তিনি বলে, আপনারা হয়তো ভাববেন, পাটোয়ারীকে মারা হলো কেন? পাটোয়ারীকে মাইর শুরু হইছে কেবল। আসল মাইর তো শুরু হয় নাই এখনো। এমপি হিসাবে বলছি- ভবিষ্যত অনেক কঠিন তার জন্য। কারণ সে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী, তাঁর কন্যাকে নিয়ে যখন কথা বলে তখন সহ্য করতে পারি না। তিনি বলেন, তারা প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার নিয়ে কথা বলছে। ফ্রিডম অব স্পিচ এটা না।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, আন্দোলনে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের ভূমিকা, প্রবাসীদের অবদান এবং আন্দোলন-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে মঞ্জুরুল ইসলাম ছাড়াও বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার (সচিব পদমর্যাদা) গোলাম মোর্তোজা।সমাপনী বক্তব্য দেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীসহ নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠেনি। দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থা, বৈষম্য, দুর্নীতি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমে থাকা ক্ষোভের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যুক্ত হয়ে একপর্যায়ে তা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এবং বিভিন্নভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকাও উঠে আসে।
বক্তাদের ভাষ্য, দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও হতাহতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিবাদ ও সংহতি কর্মসূচি পালন করেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আন্দোলনের পক্ষে জনমত তৈরিতে এসব কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বৈষম্য, দুর্নীতি, নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের গণজাগরণ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তাঁরা বলেন, জুলাইয়ের আকাক্সক্ষা ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তাঁরা।
সমাপনী বক্তব্যে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসী ছাত্র-জনতার ভূমিকা স্মরণ করেন। পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে প্রদর্শিত একটি তথ্যচিত্রের বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তোলেন উপস্থিত নুর হোসেন। তাঁর অভিযোগ, তথ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা উপস্থাপনে অসংগতি রয়েছে।
নুর হোসেন প্রশ্ন করেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একসময় বলেছিলেন, ‘এই আন্দোলনে বিএনপি সম্পৃক্ত নয়’; তাহলে তথ্যচিত্রে কীভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে?
তাঁর এ প্রশ্নের পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপি সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে কয়েকজন নুর হোসেনকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও পরে অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ লতিফ সম্রাট, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য গিয়াস আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য জিল্লুর রহমান জিল্লুর, মূলধারার রাজনীতিক অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন সবুজ, আব্দুস সবুর, গোলাম ফারুক শাহীন, সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা শিরীন, নীরা রব্বানী, ডা. শাহনাজ লিপি, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ আহমদ, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, দেওযান কাউসার, রিপন মিয়া, গোলাম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কোন প্রেক্ষাপটে এবং কাকে উদ্দেশ করে ‘পাটোয়ারীকে মাইর দেওয়া কেবল শুরু’ মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়ে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন, বিশ্বাস করেন, আমরা সহ্য করতে পারছি না। ওনার সম্পর্কে বাজে ভাষা ব্যবহার করছে এই পাটোয়ারী ও তুষার। তিনি বলে, আপনারা হয়তো ভাববেন, পাটোয়ারীকে মারা হলো কেন? পাটোয়ারীকে মাইর শুরু হইছে কেবল। আসল মাইর তো শুরু হয় নাই এখনো। এমপি হিসাবে বলছি- ভবিষ্যত অনেক কঠিন তার জন্য। কারণ সে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী, তাঁর কন্যাকে নিয়ে যখন কথা বলে তখন সহ্য করতে পারি না। তিনি বলেন, তারা প্রতিনিয়ত প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার নিয়ে কথা বলছে। ফ্রিডম অব স্পিচ এটা না।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, আন্দোলনে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের ভূমিকা, প্রবাসীদের অবদান এবং আন্দোলন-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে মঞ্জুরুল ইসলাম ছাড়াও বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার (সচিব পদমর্যাদা) গোলাম মোর্তোজা।সমাপনী বক্তব্য দেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীসহ নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠেনি। দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থা, বৈষম্য, দুর্নীতি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমে থাকা ক্ষোভের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যুক্ত হয়ে একপর্যায়ে তা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এবং বিভিন্নভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকাও উঠে আসে।
বক্তাদের ভাষ্য, দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও হতাহতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিবাদ ও সংহতি কর্মসূচি পালন করেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আন্দোলনের পক্ষে জনমত তৈরিতে এসব কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বৈষম্য, দুর্নীতি, নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের গণজাগরণ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তাঁরা বলেন, জুলাইয়ের আকাক্সক্ষা ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তাঁরা।
সমাপনী বক্তব্যে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসী ছাত্র-জনতার ভূমিকা স্মরণ করেন। পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে প্রদর্শিত একটি তথ্যচিত্রের বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তোলেন উপস্থিত নুর হোসেন। তাঁর অভিযোগ, তথ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা উপস্থাপনে অসংগতি রয়েছে।
নুর হোসেন প্রশ্ন করেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একসময় বলেছিলেন, ‘এই আন্দোলনে বিএনপি সম্পৃক্ত নয়’; তাহলে তথ্যচিত্রে কীভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে?
তাঁর এ প্রশ্নের পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপি সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে কয়েকজন নুর হোসেনকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও পরে অনুষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ লতিফ সম্রাট, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য গিয়াস আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সদস্য জিল্লুর রহমান জিল্লুর, মূলধারার রাজনীতিক অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন সবুজ, আব্দুস সবুর, গোলাম ফারুক শাহীন, সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা শিরীন, নীরা রব্বানী, ডা. শাহনাজ লিপি, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ আহমদ, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, দেওযান কাউসার, রিপন মিয়া, গোলাম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।