যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ইরানকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন’ অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে নতুন কিছু পদক্ষেপ ঘোষণা করা হতে পারে।
নিউজম্যাক্সকে এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার’ সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে অব্যাহত অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলোতে কোনো পণ্য প্রবেশ বা বের হতে পারবে না।
বেসেন্ট বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আরও ঘোষণা আসছে—এ বিষয়ে নজর রাখুন।’
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপ দুটি দিককে কেন্দ্র করে এগোবে—একদিকে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানো, অন্যদিকে দেশটির বন্দরগুলোতে সরাসরি অবরোধ আরোপ করা।
উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার হলো দেশটির জনগণের জন্য তেল ও জ্বালানির দাম কমানো। ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটি এখন দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সব শেষ বক্তব্য গত ৪ আগস্টের মন্তব্যের সঙ্গে স্পষ্টতই সাংঘর্ষিক। সেদিন সিএনবিসিকে তিনি বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সমঝোতা হতে পারে। ওই মন্তব্যের পর ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায় এবং তেলের দাম কমে যায়।
ঠিকানা/এসআর
নিউজম্যাক্সকে এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার’ সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে অব্যাহত অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলোতে কোনো পণ্য প্রবেশ বা বের হতে পারবে না।
বেসেন্ট বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আরও ঘোষণা আসছে—এ বিষয়ে নজর রাখুন।’
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপ দুটি দিককে কেন্দ্র করে এগোবে—একদিকে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানো, অন্যদিকে দেশটির বন্দরগুলোতে সরাসরি অবরোধ আরোপ করা।
উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার হলো দেশটির জনগণের জন্য তেল ও জ্বালানির দাম কমানো। ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটি এখন দ্বিতীয় অগ্রাধিকার।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সব শেষ বক্তব্য গত ৪ আগস্টের মন্তব্যের সঙ্গে স্পষ্টতই সাংঘর্ষিক। সেদিন সিএনবিসিকে তিনি বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সমঝোতা হতে পারে। ওই মন্তব্যের পর ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায় এবং তেলের দাম কমে যায়।
ঠিকানা/এসআর