আগামী ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর কানাডার টরন্টোর ডন ভ্যালি হোটেল অ্যান্ড স্যুটসে তিন দিনব্যাপী ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকার (ফোবানা) ৪০তম কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৫ আগস্ট শনিবার জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের কনভেনশনের স্লোগান ‘অনুভবে চেতনায় আমাদের বাংলাদেশ’।
৪০তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ, সম্মাননা প্রদান এবং বাংলাদেশি পণ্য ও সংস্কৃতিকে ঘিরে মেলাসহ নানা আয়োজন থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফোবানা স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ। এসময় ফোবানা ফাউন্ডেশনের চিফ পেট্রনস, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহ নেওয়াজ, ৪০তম ফোবানা কনভেনশনের চিফ নেগোশিয়েটর ও ফাইনাল সাইনিং অথরিটি ড. আর জুবায়ের দারা, ফোবানার নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ মিলনমেলা হিসেবে চার দশক ধরে ফোবানা বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে কাজ করে আসছে। এবারের আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে কানাডা-বাংলাদেশ সোসাইটি।
আয়োজকেরা জানান, এবারের কনভেনশনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে অংশ নেবেন বিশ্বখ্যাত জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ এবং বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ফরিদা আখতার ববিতা। ফোবানার পক্ষ থেকে তাঁদের আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে।
তিন দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা অংশ নেবেন। লিখিত বক্তব্যে সংগীতশিল্পী রানো নেওয়াজ, সেলিম চৌধুরী, ডলি সায়ন্তনী, জোহরা আলীম, সুকন্যা ঘোষ, পিন্টু ঘোষ, অনিক রাজ, শাহনাজ বেলিসহ একাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণের কথা জানানো হয়।
আয়োজকেরা আরও জানান, বাংলাদেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সরকারি প্রতিনিধিকে কনভেনশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা সোবহানকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে ফোবানার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। কীভাবে তরুণ প্রজন্মকে সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে নিয়ে আসা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা, ইয়ুথ সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকেরা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সমসাময়িক বিভিন্ন গণআন্দোলনের চেতনার পাশাপাশি প্রবাসী প্রজন্মের মধ্যে দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির বন্ধন দৃঢ় করাই এ সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।
বক্তব্যে বলা হয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সেমিনারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মূলধারার রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হবে।
শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও এবারের সম্মেলনে বিশেষ কর্মসূচি থাকবে।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বিজনেস লাঞ্চ ও নেটওয়ার্কিংয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনে প্রবাসীদের অর্জন ও সাফল্যের গল্পও তুলে ধরা হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হয় এবং বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের জন্য শুধু একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, বরং বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে।
তারা বলেন, ফোবানার মূল লক্ষ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বৃদ্ধি, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করা।
সংবাদ সম্মেলনে ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর টরন্টোয় অনুষ্ঠেয় এই তিন দিনের আয়োজনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও কানাডা থেকে বাংলাদেশি সংগঠন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও কমিউনিটি নেতাদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যের শেষে ফোবানা স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ ও নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ কনভেনশন সফল করতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
৪০তম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ, সম্মাননা প্রদান এবং বাংলাদেশি পণ্য ও সংস্কৃতিকে ঘিরে মেলাসহ নানা আয়োজন থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফোবানা স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ। এসময় ফোবানা ফাউন্ডেশনের চিফ পেট্রনস, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহ নেওয়াজ, ৪০তম ফোবানা কনভেনশনের চিফ নেগোশিয়েটর ও ফাইনাল সাইনিং অথরিটি ড. আর জুবায়ের দারা, ফোবানার নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ মিলনমেলা হিসেবে চার দশক ধরে ফোবানা বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে কাজ করে আসছে। এবারের আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে কানাডা-বাংলাদেশ সোসাইটি।
আয়োজকেরা জানান, এবারের কনভেনশনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে অংশ নেবেন বিশ্বখ্যাত জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ এবং বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ফরিদা আখতার ববিতা। ফোবানার পক্ষ থেকে তাঁদের আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে।
তিন দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা অংশ নেবেন। লিখিত বক্তব্যে সংগীতশিল্পী রানো নেওয়াজ, সেলিম চৌধুরী, ডলি সায়ন্তনী, জোহরা আলীম, সুকন্যা ঘোষ, পিন্টু ঘোষ, অনিক রাজ, শাহনাজ বেলিসহ একাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণের কথা জানানো হয়।
আয়োজকেরা আরও জানান, বাংলাদেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সরকারি প্রতিনিধিকে কনভেনশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা সোবহানকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে ফোবানার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। কীভাবে তরুণ প্রজন্মকে সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে নিয়ে আসা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা, ইয়ুথ সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকেরা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সমসাময়িক বিভিন্ন গণআন্দোলনের চেতনার পাশাপাশি প্রবাসী প্রজন্মের মধ্যে দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির বন্ধন দৃঢ় করাই এ সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।
বক্তব্যে বলা হয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সেমিনারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মূলধারার রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হবে।
শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও এবারের সম্মেলনে বিশেষ কর্মসূচি থাকবে।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বিজনেস লাঞ্চ ও নেটওয়ার্কিংয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনে প্রবাসীদের অর্জন ও সাফল্যের গল্পও তুলে ধরা হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হয় এবং বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের জন্য শুধু একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, বরং বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে।
তারা বলেন, ফোবানার মূল লক্ষ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বৃদ্ধি, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করা।
সংবাদ সম্মেলনে ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর টরন্টোয় অনুষ্ঠেয় এই তিন দিনের আয়োজনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও কানাডা থেকে বাংলাদেশি সংগঠন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও কমিউনিটি নেতাদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যের শেষে ফোবানা স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ ও নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ কনভেনশন সফল করতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।