​মৌলভীবাজারে অপহরণ-হুমকির অভিযোগ

১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে একাধিক নাম, উঠছে নতুন প্রশ্ন

প্রকাশ : ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১৯:৩৪ , অনলাইন ভার্সন
মৌলভীবাজারে এক রাজনৈতিক নেতাকে অপহরণ, হত্যার হুমকি এবং তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার এক ব্যক্তির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে কয়েকজনের নাম এসেছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী। তবে জবানবন্দির পূর্ণাঙ্গ নথি ও উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তাঁর মোবাইল ফোন জিম্মি করে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে এসব ব্যক্তিগত উপাত্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ও অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে তাঁকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

ভিডিও ও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ থাকার দাবি
অভিযোগকারী দাবি করেন, পুরো ঘটনার একটি ভিডিও ধারণ করে এহসান জাকারিয়ার মোবাইল ফোনে পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিকাশের মাধ্যমে অর্থ দেওয়ার প্রমাণও তাঁর কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি।

তাঁর দাবি, ঘটনার ভিডিও, আর্থিক লেনদেনের তথ্যসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে, যা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব।

বিষয়টি জানানো হয়েছিল এনসিপির নেতাকেও।

অভিযোগকারীর আরও দাবি, ঘটনার বিষয়ে সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশাম হককে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছিল।

তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি জানার পরও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এহতেশাম হকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে কার কার নাম?
ঘটনায় গ্রেপ্তার হাসান নামের এক ব্যক্তির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে এহসান জাকারিয়া ও ‘কসাই জুনেদ’-এর নাম এসেছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগকারীর ভাষ্য, জবানবন্দিতে হাসান ঘটনার পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তাঁদের নাম উল্লেখ করেছেন।

তবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দির পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ্যে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে কোনো আসামির জবানবন্দিতে কারও নাম উল্লেখ থাকা মাত্রই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি আইনগতভাবে বলা যায় না। অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্টতার মাত্রা এবং দায় বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

ঘটনার পরও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, ঘটনার পরও অভিযুক্তরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার উদ্দেশ্যেই এসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট আলামত যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
বক্তব্য পাওয়া গেলে যুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে এহসান জাকারিয়া, এহতেশাম হক ও ‘কসাই জুনেদ’-এর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]