খবরের খরা নেই। ছড়াছড়ি। ঠিকানার ৭২ পৃষ্ঠাজুড়েই খবর। সব খবর খবর হলেও সব খবর সম্পাদকীয় হওয়ার দাবি রাখে না। সম্পাদকীয়ের জন্য নির্বাচন করতে গেলেই খবরের খরা মনে হয়। তবে এ দেশে প্রবাসী, বিশেষ করে যারা আনডকুমেন্টেড, তাদের জন্য যে প্রতিদিন এ দেশের খোলা দরজা সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আদেশ-নির্দেশ বাস্তবায়নে তার প্রশাসন কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ঠিকানার প্রতি সংখ্যাতেই প্রবাসীদের নিয়ে দুঃসংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে।
গত সংখ্যা অর্থাৎ ১৯ আগস্টের সংখ্যাতেও একাধিক খবর আছে, যেসব খবরে আনডকুমেন্টেড প্রবাসীদের জন্য কোনো সুখবর নেই। আমরা নিউইয়র্ক নগরবাসী, আইসের অভিযানে প্রতিদিন কাগজপত্রহীন প্রবাসীরা ধরা পড়ছে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, নিউইয়র্কে আইসের (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) অভিযানের বিরুদ্ধে মামলা করেও তাদের অভিযান রোখা যাচ্ছে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কিছু কিছু নির্বাহী আদেশ আদালতের নির্দেশে বন্ধ হলেও ট্রাম্প তার প্রশাসনিক নানা পথ বের করে প্রবাসী রোধে অভিযান চলমান রেখেছেন। ‘বার্থ ট্যুরিজম’-এর ক্ষেত্রে এমনটি দেখা গেছে।
আবার কোনো কোনো সুবিধা আদালতের রায়েও সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। যেমন ঠিকানার ১৯ আগস্ট সংখ্যার প্রথম পাতায় টপ নিউজটি। শিরোনামেই বলে দেওয়া হয়েছে, ‘আদালতের রায়ে ডাকা প্রাপকদের নাগরিকত্বের পথ আরও সংকুচিত’। শিরোনামটির নিচেই উপশিরোনাম, ‘বিয়ে করলেও গ্রিনকার্ড পাওয়া কঠিন হতে পারে’। ঠিকানার নিজস্ব রিপোর্ট। রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ‘ড্রিমার’ বলে পরিচিত একটি সুবিধা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল। ডাকা হচ্ছে ডেফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভালস। এই ‘ডাকা’র সুবিধা পেয়ে অনেকে এ দেশে গ্রিনকার্ড লাভের মাধ্যমে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির সুযোগ পাচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নতুন আপিল রায়ের ফলে, বিশেষ করে যেসব ডাকা প্রাপক অনথিভুক্ত বা অবৈধ উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিল, পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিককে বিয়ে করেও তাদের পক্ষে নিজ দেশ থেকে গ্রিনকার্ড পাওয়া অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
গত ১৩ আগস্ট বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিল (বিআইএ) এক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছে, ডাকা প্রাপকরা অ্যাডভান্স প্যারোল নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করে আবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে স্ট্যাটাস অ্যাডজাস্টমেন্টের যে সুযোগ পেয়ে আসছিল, তা সীমিত করা হচ্ছে। ফলে তারা প্যারোল নিয়ে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি নাও পেতে পারেন। আর সে কারণে পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রে আন-ল’ফুল প্রেজেন্সের কারণে তারা ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।
আরেকটি খবরে বলা হয়েছে (যার শিরোনাম : ‘এলিয়েন রেজিস্ট্রেশন না করলে জেল-জরিমানা’), যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিছু বিদেশি নাগরিকের জন্য নিবন্ধন এখন বাধ্যতামূলক। যাদের আইনের আওতায় নিবন্ধন করার কথা, কিন্তু এখন পর্যন্ত করেননি, তাদের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। নিয়ম না মানলে বড় অঙ্কের জরিমানা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে। এর অর্থ, বৈধভাবে নানা পর্যায়ের ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসাও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এসবের কারণে নানা পর্যায়ের ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসাকেও উৎসাহিত করা হচ্ছে না।
তাই সার্বিকভাবেই বলা যায়, যেকোনো স্ট্যাটাসের প্রবাসীদের জন্যই যুক্তরাষ্ট্রের দরজা সংকুচিত হয়ে আসছে। একদিন যাদের ঘামে, শ্রমে এমনকি রক্তের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি তিলোত্তমা ও বলশালী রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে, তারা এখন ক্রমাগত অনাকাঙ্ক্ষিত হয়ে উঠছে।
গত সংখ্যা অর্থাৎ ১৯ আগস্টের সংখ্যাতেও একাধিক খবর আছে, যেসব খবরে আনডকুমেন্টেড প্রবাসীদের জন্য কোনো সুখবর নেই। আমরা নিউইয়র্ক নগরবাসী, আইসের অভিযানে প্রতিদিন কাগজপত্রহীন প্রবাসীরা ধরা পড়ছে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, নিউইয়র্কে আইসের (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) অভিযানের বিরুদ্ধে মামলা করেও তাদের অভিযান রোখা যাচ্ছে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কিছু কিছু নির্বাহী আদেশ আদালতের নির্দেশে বন্ধ হলেও ট্রাম্প তার প্রশাসনিক নানা পথ বের করে প্রবাসী রোধে অভিযান চলমান রেখেছেন। ‘বার্থ ট্যুরিজম’-এর ক্ষেত্রে এমনটি দেখা গেছে।
আবার কোনো কোনো সুবিধা আদালতের রায়েও সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। যেমন ঠিকানার ১৯ আগস্ট সংখ্যার প্রথম পাতায় টপ নিউজটি। শিরোনামেই বলে দেওয়া হয়েছে, ‘আদালতের রায়ে ডাকা প্রাপকদের নাগরিকত্বের পথ আরও সংকুচিত’। শিরোনামটির নিচেই উপশিরোনাম, ‘বিয়ে করলেও গ্রিনকার্ড পাওয়া কঠিন হতে পারে’। ঠিকানার নিজস্ব রিপোর্ট। রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ‘ড্রিমার’ বলে পরিচিত একটি সুবিধা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল। ডাকা হচ্ছে ডেফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভালস। এই ‘ডাকা’র সুবিধা পেয়ে অনেকে এ দেশে গ্রিনকার্ড লাভের মাধ্যমে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির সুযোগ পাচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নতুন আপিল রায়ের ফলে, বিশেষ করে যেসব ডাকা প্রাপক অনথিভুক্ত বা অবৈধ উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিল, পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিককে বিয়ে করেও তাদের পক্ষে নিজ দেশ থেকে গ্রিনকার্ড পাওয়া অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
গত ১৩ আগস্ট বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিল (বিআইএ) এক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছে, ডাকা প্রাপকরা অ্যাডভান্স প্যারোল নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করে আবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে স্ট্যাটাস অ্যাডজাস্টমেন্টের যে সুযোগ পেয়ে আসছিল, তা সীমিত করা হচ্ছে। ফলে তারা প্যারোল নিয়ে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি নাও পেতে পারেন। আর সে কারণে পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রে আন-ল’ফুল প্রেজেন্সের কারণে তারা ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।
আরেকটি খবরে বলা হয়েছে (যার শিরোনাম : ‘এলিয়েন রেজিস্ট্রেশন না করলে জেল-জরিমানা’), যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিছু বিদেশি নাগরিকের জন্য নিবন্ধন এখন বাধ্যতামূলক। যাদের আইনের আওতায় নিবন্ধন করার কথা, কিন্তু এখন পর্যন্ত করেননি, তাদের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। নিয়ম না মানলে বড় অঙ্কের জরিমানা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি তাদের কারাদণ্ডও হতে পারে। এর অর্থ, বৈধভাবে নানা পর্যায়ের ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসাও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এসবের কারণে নানা পর্যায়ের ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসাকেও উৎসাহিত করা হচ্ছে না।
তাই সার্বিকভাবেই বলা যায়, যেকোনো স্ট্যাটাসের প্রবাসীদের জন্যই যুক্তরাষ্ট্রের দরজা সংকুচিত হয়ে আসছে। একদিন যাদের ঘামে, শ্রমে এমনকি রক্তের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি তিলোত্তমা ও বলশালী রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে, তারা এখন ক্রমাগত অনাকাঙ্ক্ষিত হয়ে উঠছে।