ক্যালিফোর্নিয়ার ‘সিটি অব অ্যাঞ্জেলস’ খ্যাত লস অ্যাঞ্জেলেসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ৪০তম ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) সম্মেলন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শেকড়ের টানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যোগ দিয়েছেন এই আয়োজনে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্যোগে ইউনিভার্সাল সিটির ইউনিভার্সাল হিলটনে আয়োজিত সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয় ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে। উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কাজী মোহাম্মদ জাবেদ ইকবালসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ফোবানার কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি পৌঁছে দিতে ফোবানার মতো আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর আমেরিকায় বিভক্তভাবে একাধিক সম্মেলনের পরিবর্তে ঐক্যবদ্ধ একটি ফোবানা সম্মেলন দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
কনসাল জেনারেল কাজী মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল এ উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান।
এবারের ফোবানায় সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পেশাজীবীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিংয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের আশা, এতে উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক ও পেশাগত সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে।
বাংলাদেশ, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা অতিথিদের অংশগ্রহণে সম্মেলন প্রাঙ্গণ পরিণত হয় প্রবাসীদের মিলনমেলায়। পরিচিতজনদের পুনর্মিলন, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ।
দিনের শেষভাগে বাংলা গান, নৃত্য ও নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় জমে ওঠে সম্মেলন। তিন দিনের এ আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের পারস্পরিক সংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও পরিচয় তুলে ধরার একটি বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে।
ঠিকানা/এনআই
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্যোগে ইউনিভার্সাল সিটির ইউনিভার্সাল হিলটনে আয়োজিত সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয় ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে। উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কাজী মোহাম্মদ জাবেদ ইকবালসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ফোবানার কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি পৌঁছে দিতে ফোবানার মতো আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর আমেরিকায় বিভক্তভাবে একাধিক সম্মেলনের পরিবর্তে ঐক্যবদ্ধ একটি ফোবানা সম্মেলন দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
কনসাল জেনারেল কাজী মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল এ উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান।
এবারের ফোবানায় সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পেশাজীবীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিংয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের আশা, এতে উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক ও পেশাগত সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে।
বাংলাদেশ, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা অতিথিদের অংশগ্রহণে সম্মেলন প্রাঙ্গণ পরিণত হয় প্রবাসীদের মিলনমেলায়। পরিচিতজনদের পুনর্মিলন, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ।
দিনের শেষভাগে বাংলা গান, নৃত্য ও নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় জমে ওঠে সম্মেলন। তিন দিনের এ আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের পারস্পরিক সংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও পরিচয় তুলে ধরার একটি বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে।
ঠিকানা/এনআই