ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখন যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৪০ , অনলাইন ভার্সন
ভারতকে পেছনে ফেলে এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদারের সর্বোচ্চ খেতাব যথারীতি চীনের দখলেই রয়েছে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হ্রাস এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বৃদ্ধির ফলে এমন চিত্র দেখা গেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী ভারতীয় গণমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট বলছে, বিগত অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। ফলে ভারতের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলারে এগিয়ে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়াকেই এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এক বছরে দেশটি থেকে বাংলাদেশে আমদানি ৪৩ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর বিপরীতে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ভারতে রপ্তানি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সয়াবিন বীজ এবং তুলার আমদানি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া মার্কিন অ্যারোস্পেস জায়ান্ট বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি বিমান কেনার সিদ্ধান্তেও সম্মত হয়েছে সরকার।

এনবিআরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগের বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো গম আমদানি না করা হলেও বিগত অর্থবছরে দেশটির কাছ থেকে ২২৭ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের গম আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া সয়াবিন বীজের আমদানি প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৬২০ মিলিয়ন ডলার এবং তুলা ক্রয় ২৩০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৮০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সরকারি খাতে এলএনজি আমদানির পরিমাণ প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছরে প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য এবং প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি পণ্য কেনার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি বিমান ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তবে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য চিত্রের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ উল্টা। ২০২৫ সাল থেকে আরোপিত একাধিক নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থার কারণে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সুতা আমদানি স্থগিত করেছে। অন্যদিকে কলকাতা বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সুযোগ তুলে নিয়েছে ভারত।

ঠিকানা/এনআই
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]