
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, ‘পুতিন ইউক্রেনকে এমন শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে সম্মতি দিয়েছেন, যেটি পরিস্থিতির মোড় পাল্টে দিতে পারে।’
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ বলেন, ‘আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি—যাতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় কিছু দেশ মিলে ইউক্রেনকে ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫ এর অনুরূপ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে পারবে।’
উল্লেখ্য, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এ বলা আছে—ন্যাটোর যেকোনো একটি সদস্যরাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে সব সদস্যরাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
পুতিন সব সময় ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানে বিরোধিতা করে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে উইটকফ বলেন, ‘এই বিকল্প ব্যবস্থাটি গ্রহণযোগ্য হলে ইউক্রেনীয়রা হয়তো এর সঙ্গে সমঝোতা করতে পারবে।’
তিনি আরও জানান, আলাস্কা থেকে ফেরার পথে বিমানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে একটি গভীর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আগামীকাল (সোমবার) ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পথে এগোবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকারে উইটকফ রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের অঞ্চলের বিষয়েও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘এই পাঁচটি অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই সমঝোতার মূল জায়গা ছিল।’
উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চল এবং ২০২২ সালে ভুয়া গণভোটের মাধ্যমে লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চল অবৈধভাবে দখল করে নেয়।
উইটকফ বলেন, ‘এই পাঁচটি অঞ্চল নিয়ে আলোচনার টেবিলে রাশিয়া কিছু ছাড় দিয়েছে।’
তিনি বিশেষ করে দোনেৎস্ক অঞ্চলকে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘আশা করছি আগামীকাল বৈঠকে আমরা এখানেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব।’
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ বলেন, ‘আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি—যাতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় কিছু দেশ মিলে ইউক্রেনকে ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫ এর অনুরূপ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে পারবে।’
উল্লেখ্য, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এ বলা আছে—ন্যাটোর যেকোনো একটি সদস্যরাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে সব সদস্যরাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
পুতিন সব সময় ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানে বিরোধিতা করে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে উইটকফ বলেন, ‘এই বিকল্প ব্যবস্থাটি গ্রহণযোগ্য হলে ইউক্রেনীয়রা হয়তো এর সঙ্গে সমঝোতা করতে পারবে।’
তিনি আরও জানান, আলাস্কা থেকে ফেরার পথে বিমানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে একটি গভীর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আগামীকাল (সোমবার) ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পথে এগোবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকারে উইটকফ রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের অঞ্চলের বিষয়েও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘এই পাঁচটি অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই সমঝোতার মূল জায়গা ছিল।’
উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চল এবং ২০২২ সালে ভুয়া গণভোটের মাধ্যমে লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চল অবৈধভাবে দখল করে নেয়।
উইটকফ বলেন, ‘এই পাঁচটি অঞ্চল নিয়ে আলোচনার টেবিলে রাশিয়া কিছু ছাড় দিয়েছে।’
তিনি বিশেষ করে দোনেৎস্ক অঞ্চলকে ‘গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘আশা করছি আগামীকাল বৈঠকে আমরা এখানেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব।’