
থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিতর্কিত ধনকুবের থাকসিন সিনাওয়াত্রা রাজপরিবারকে অপমানের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় খালাস পেয়েছেন। আজ ২২ আগস্ট (শুক্রবার) ব্যাংককের একটি আদালত এই রায় ঘোষণা করে।
প্রায় এক দশক আগে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে থাইল্যান্ডের লেসে মাজেস্তি আইনে এই মামলা করা হয়েছিল। দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতো।
বিবিসি জানিয়েছে, লেসে মাজেস্তি আইন অনুযায়ী রাজপরিবারকে হুমকি দেওয়া বা কোনোভাবে অপমান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে সমালোচকদের মতে, এ আইন প্রায়ই আন্দোলনকারী কিংবা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমনে ব্যবহৃত হয়।
থাকসিন এমন সময় খালাস পেলেন, যখন তার মেয়ে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা গুরুতর এক মামলার মুখোমুখি, যা তার প্রধানমন্ত্রীর পদও কেড়ে নিতে পারে। আপাতত তার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব স্থগিত রয়েছে।
থাকসিনের খালাস রায় সিনাওয়াত্রা পরিবার ও তাদের সমর্থকদের জন্য খানিকটা স্বস্তি বয়ে এনেছে। কারণ পায়েতংতার্নের বিরুদ্ধে মামলাটি কয়েক দশক ধরে থাই রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই পরিবারকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছিল।
রায়ের পর থাকসিনের আইনজীবী উইনিয়াত চারমন্ত্রে সাংবাদিকদের জানান, খালাসের পর তিনি হাসিমুখে আইনজীবীদের ধন্যবাদ দেন এবং বলেন, 'এখন থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারবো।'
থাইল্যান্ডে সামরিক শাসন চলাকালে ২০১৬ সালে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। তখন তিনি নির্বাসনে ছিলেন। তবে গত বছর দেশে ফেরার পর মামলাটি আবার সক্রিয় হয়।
বিবিসি বলছে, মামলাটি শুরু থেকেই দুর্বল ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদপত্রে দেওয়া সাক্ষাৎকারে থাকসিন দাবি করেছিলেন, ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উচ্ছেদে যে সামরিক অভ্যুত্থান হয়, সেটি ‘প্রাসাদের কয়েকজন’ এবং প্রিভি কাউন্সিলের সদস্যদের উসকানিতে হয়েছিল।
ওই অভ্যুত্থানে তার বোন ও তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হন। এর আগেও ২০০৬ সালে আরেকটি অভ্যুত্থানে থাকসিন নিজেও ক্ষমতা হারিয়েছিলেন।
প্রিভি কাউন্সিল থাই শাসন কাঠামোর একটি প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান, যেখানে ১৯ জন সদস্য রাজাকে নানা বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে লেসে মাজেস্তি আইনে এ পরিষদ অন্তর্ভুক্ত নয়। আইন অনুযায়ী শুধু রাজা, রানি, সিংহাসনের উত্তরাধিকারী বা সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের অবমাননা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, থাকসিন তার সাক্ষাৎকারে সুনির্দিষ্টভাবে রাজপরিবারের কাউকে লক্ষ্য করে কিছু বলেননি। তাই এটি রাজপরিবারের সরাসরি অবমাননা হিসেবে গণ্য হয় না। এ কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দেন।
ঠিকানা/এসআর
প্রায় এক দশক আগে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে থাইল্যান্ডের লেসে মাজেস্তি আইনে এই মামলা করা হয়েছিল। দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতো।
বিবিসি জানিয়েছে, লেসে মাজেস্তি আইন অনুযায়ী রাজপরিবারকে হুমকি দেওয়া বা কোনোভাবে অপমান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে সমালোচকদের মতে, এ আইন প্রায়ই আন্দোলনকারী কিংবা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমনে ব্যবহৃত হয়।
থাকসিন এমন সময় খালাস পেলেন, যখন তার মেয়ে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা গুরুতর এক মামলার মুখোমুখি, যা তার প্রধানমন্ত্রীর পদও কেড়ে নিতে পারে। আপাতত তার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব স্থগিত রয়েছে।
থাকসিনের খালাস রায় সিনাওয়াত্রা পরিবার ও তাদের সমর্থকদের জন্য খানিকটা স্বস্তি বয়ে এনেছে। কারণ পায়েতংতার্নের বিরুদ্ধে মামলাটি কয়েক দশক ধরে থাই রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই পরিবারকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছিল।
রায়ের পর থাকসিনের আইনজীবী উইনিয়াত চারমন্ত্রে সাংবাদিকদের জানান, খালাসের পর তিনি হাসিমুখে আইনজীবীদের ধন্যবাদ দেন এবং বলেন, 'এখন থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারবো।'
থাইল্যান্ডে সামরিক শাসন চলাকালে ২০১৬ সালে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। তখন তিনি নির্বাসনে ছিলেন। তবে গত বছর দেশে ফেরার পর মামলাটি আবার সক্রিয় হয়।
বিবিসি বলছে, মামলাটি শুরু থেকেই দুর্বল ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদপত্রে দেওয়া সাক্ষাৎকারে থাকসিন দাবি করেছিলেন, ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উচ্ছেদে যে সামরিক অভ্যুত্থান হয়, সেটি ‘প্রাসাদের কয়েকজন’ এবং প্রিভি কাউন্সিলের সদস্যদের উসকানিতে হয়েছিল।
ওই অভ্যুত্থানে তার বোন ও তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হন। এর আগেও ২০০৬ সালে আরেকটি অভ্যুত্থানে থাকসিন নিজেও ক্ষমতা হারিয়েছিলেন।
প্রিভি কাউন্সিল থাই শাসন কাঠামোর একটি প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান, যেখানে ১৯ জন সদস্য রাজাকে নানা বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে লেসে মাজেস্তি আইনে এ পরিষদ অন্তর্ভুক্ত নয়। আইন অনুযায়ী শুধু রাজা, রানি, সিংহাসনের উত্তরাধিকারী বা সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের অবমাননা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, থাকসিন তার সাক্ষাৎকারে সুনির্দিষ্টভাবে রাজপরিবারের কাউকে লক্ষ্য করে কিছু বলেননি। তাই এটি রাজপরিবারের সরাসরি অবমাননা হিসেবে গণ্য হয় না। এ কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দেন।
ঠিকানা/এসআর