
নিউইয়র্কে প্রবেশের সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলার চেষ্টার ঘটনার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল।
২৫ আগস্ট (সোমবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কনস্যুলেট জেনারেল বলেছে, রবিবারের ঘটনায় ‘দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে’ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে কনস্যুলেট জেনারেল ইতোমধ্যে স্থানীয় পুলিশ, মেয়র এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের স্থানীয় অফিসে ‘চিঠি’ পাঠিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে একটি মতবিনিময় সভা হয়। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
এছাড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রায় দেড় শতাধিক অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের অনুরোধে অনুষ্ঠানের আগেই সেখানে ‘পর্যাপ্ত সংখ্যক’ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভাটি পণ্ড করার উদ্দেশ্যে এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে সরাসরি আক্রমণ করার হিংস্র মনোভাব নিয়ে বিকাল ৫টা থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সামনে অবস্থান নেয়। তারা বাংলাদেশ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অশ্লীল-অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

“এক পর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানে আগত আমন্ত্রিত অতিথিদের ধাওয়া করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে বাধা প্রদান করে। সময়ের সাথে সাথে তারা আরও নানাবিধ অপকৌশল অবলম্বন করে যার অংশ হিসেবে তারা অতিথিদের উদ্দেশ্যে ডিম নিক্ষেপ করে এবং অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রবেশপথের পার্শ্ববর্তী অন্য একটি অফিসের (একই ভবনের) কাচের দরজায় আঘাত করে, যার প্রেক্ষিতে ওই দরজায় ফাটল ধরে।”
কনস্যুলেট জেনারেল বলছে, “পুলিশ দুষ্কৃতকারীদের এই ধরনের ধ্বংসাত্নক কাজে বাধা দেয় এবং কয়েকজনকে আটক করে। দুষ্কৃতকারীদের এই ন্যক্কারজনক ধ্বংসাত্নক কার্যক্রমের স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে ইতোমধ্যে পুলিশের হস্তগত হয়েছে এবং তারা এই ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে মর্মে আশ্বস্ত করেছে।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা প্রধান অতিথিকে হেনস্তা ও জীবননাশের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকাসহ কনস্যুলেট জেনারেলের চতুর্দিকে মধ্যরাত অবধি অবস্থান করে। তবে পুরো সময় নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয় ছিল।”
পরে স্বাভাবিকভাবে মতবিনিময় সভা হওয়ার কথা জানিয়ে সেখানে বলা হয়, “প্রাণবন্ত মতবিনিময়, আগত অতিথিবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং রাতের খাবার শেষে প্রধান অতিথি কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ব্যতিরেকে নির্ধারিত গাড়িযোগে তার গন্তব্যে পৌঁছান। প্রধান অতিথি প্রস্থান করার পরে পুলিশ অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে।”
“এখানে আরও উল্লেখ্য যে, প্রধান অতিথির অনুষ্ঠানে আগমন কিংবা প্রস্থানের সময় দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে উপদেষ্টা মহোদয়ের কোনো ধরনের সাক্ষাৎ বা দূরতম কোনো সংযোগ কিংবা সংশ্লেষও ঘটেনি। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা শত চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের অসাধু উদ্দেশ্য সাধন করতে পারেনি এবং এহেন কার্যে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানাবিধ অপতথ্য এবং প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এই ধরনের মিথ্যে তথ্য এবং প্রপাগান্ডায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।”
ঠিকানা/এসআর
২৫ আগস্ট (সোমবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কনস্যুলেট জেনারেল বলেছে, রবিবারের ঘটনায় ‘দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে’ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে কনস্যুলেট জেনারেল ইতোমধ্যে স্থানীয় পুলিশ, মেয়র এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের স্থানীয় অফিসে ‘চিঠি’ পাঠিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে একটি মতবিনিময় সভা হয়। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
এছাড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রায় দেড় শতাধিক অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের অনুরোধে অনুষ্ঠানের আগেই সেখানে ‘পর্যাপ্ত সংখ্যক’ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভাটি পণ্ড করার উদ্দেশ্যে এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিকে সরাসরি আক্রমণ করার হিংস্র মনোভাব নিয়ে বিকাল ৫টা থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সামনে অবস্থান নেয়। তারা বাংলাদেশ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অশ্লীল-অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

“এক পর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানে আগত আমন্ত্রিত অতিথিদের ধাওয়া করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে বাধা প্রদান করে। সময়ের সাথে সাথে তারা আরও নানাবিধ অপকৌশল অবলম্বন করে যার অংশ হিসেবে তারা অতিথিদের উদ্দেশ্যে ডিম নিক্ষেপ করে এবং অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রবেশপথের পার্শ্ববর্তী অন্য একটি অফিসের (একই ভবনের) কাচের দরজায় আঘাত করে, যার প্রেক্ষিতে ওই দরজায় ফাটল ধরে।”
কনস্যুলেট জেনারেল বলছে, “পুলিশ দুষ্কৃতকারীদের এই ধরনের ধ্বংসাত্নক কাজে বাধা দেয় এবং কয়েকজনকে আটক করে। দুষ্কৃতকারীদের এই ন্যক্কারজনক ধ্বংসাত্নক কার্যক্রমের স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে ইতোমধ্যে পুলিশের হস্তগত হয়েছে এবং তারা এই ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে মর্মে আশ্বস্ত করেছে।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা প্রধান অতিথিকে হেনস্তা ও জীবননাশের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকাসহ কনস্যুলেট জেনারেলের চতুর্দিকে মধ্যরাত অবধি অবস্থান করে। তবে পুরো সময় নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয় ছিল।”
পরে স্বাভাবিকভাবে মতবিনিময় সভা হওয়ার কথা জানিয়ে সেখানে বলা হয়, “প্রাণবন্ত মতবিনিময়, আগত অতিথিবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং রাতের খাবার শেষে প্রধান অতিথি কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ব্যতিরেকে নির্ধারিত গাড়িযোগে তার গন্তব্যে পৌঁছান। প্রধান অতিথি প্রস্থান করার পরে পুলিশ অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে।”
“এখানে আরও উল্লেখ্য যে, প্রধান অতিথির অনুষ্ঠানে আগমন কিংবা প্রস্থানের সময় দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে উপদেষ্টা মহোদয়ের কোনো ধরনের সাক্ষাৎ বা দূরতম কোনো সংযোগ কিংবা সংশ্লেষও ঘটেনি। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা শত চেষ্টা সত্ত্বেও তাদের অসাধু উদ্দেশ্য সাধন করতে পারেনি এবং এহেন কার্যে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নানাবিধ অপতথ্য এবং প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এই ধরনের মিথ্যে তথ্য এবং প্রপাগান্ডায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।”
ঠিকানা/এসআর