জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের আগমন ঘিরে ম্যানহাটনের একটি বড় অংশজুড়ে তৈরি করা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়। একই সঙ্গে তীব্র যানজটের আশঙ্কায় ২১ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মদিবসগুলোতে ‘গ্রিডলক অ্যালার্ট’ জারি করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি ও পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অধিবেশনকে ঘিরে সুনির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই। তবে বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য বিক্ষোভের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস, এফবিআই, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস এবং জাতিসংঘ পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের আশপাশে ভারী অস্ত্রধারী দল, কে-৯ ডগ স্কোয়াড, বোম্ব স্কোয়াড, কাউন্টার-টেররিজম ইউনিট ও বিশেষ ড্রোন টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
ইস্ট রিভারে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড ও এনওয়াইপিডির হারবার ইউনিট সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের চারপাশের আকাশসীমায় বিমান ও অননুমোদিত ড্রোন চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
অধিবেশন চলাকালে কর্মদিবসগুলোকে যানজটের জন্য ‘গ্রিডলক অ্যালার্ট ডে’ ঘোষণা করেছে নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশন (এনওয়াইসিডিওটি)। ম্যানহাটনের ফার্স্ট অ্যাভিনিউর ৪১ থেকে ৪৮ স্ট্রিট এবং ৪২ স্ট্রিটের বড় একটি অংশসহ ৩০টির বেশি সড়ক পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ রাখা হচ্ছে। বিশ্বনেতাদের মোটরকেড চলাচলের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সড়কে সাময়িক ‘রোলিং ক্লোজার’ও দেওয়া হবে।
পরিবহন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এই সপ্তাহে মিডটাউন ম্যানহাটনে যানবাহনের গতি ঘণ্টায় ৪ মাইলের নিচে নেমে আসতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নগরবাসী ও চাকরিজীবীদের ব্যক্তিগত গাড়ি এড়িয়ে সাবওয়ে, ফেরি কিংবা সাইকেল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এবারের অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যোগ দিচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিউইয়র্কে প্রতিদিন একাধিক রাজনৈতিক বিক্ষোভের কর্মসূচি থাকায় পুলিশকে বাড়তি সতর্ক রাখা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ভাষণের পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত কয়েকটি আলোচনায় যোগ দেবেন। বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেও তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। উন্নয়ন, মহামারি মোকাবিলা ও প্রস্তুতি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচ এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
এ ছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে। সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কয়েক দিন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানা গেলেও পরে তা সংক্ষিপ্ত করা হয়। ২১ থেকে ২৯ বা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান এবং সানফ্রান্সিসকো সফরের সম্ভাবনার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে এলেও শেষ পর্যন্ত সানফ্রান্সিসকো সফর বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকারি ব্যয় কমানো ও সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন নিয়েও পরিবর্তন এসেছে। সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকারি অর্থ ব্যয়ে বড় পরিসরে নাগরিক সংবর্ধনা নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগ্রহী নন।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি গিয়াস আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে তারেক রহমান সরকারি অর্থ ব্যয়ে এমন আয়োজনে সম্মতি দেননি। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিজস্ব অর্থায়নে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ঠিকানা/এনআই
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি ও পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অধিবেশনকে ঘিরে সুনির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই। তবে বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য বিক্ষোভের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস, এফবিআই, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস এবং জাতিসংঘ পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের আশপাশে ভারী অস্ত্রধারী দল, কে-৯ ডগ স্কোয়াড, বোম্ব স্কোয়াড, কাউন্টার-টেররিজম ইউনিট ও বিশেষ ড্রোন টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
ইস্ট রিভারে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড ও এনওয়াইপিডির হারবার ইউনিট সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের চারপাশের আকাশসীমায় বিমান ও অননুমোদিত ড্রোন চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
অধিবেশন চলাকালে কর্মদিবসগুলোকে যানজটের জন্য ‘গ্রিডলক অ্যালার্ট ডে’ ঘোষণা করেছে নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশন (এনওয়াইসিডিওটি)। ম্যানহাটনের ফার্স্ট অ্যাভিনিউর ৪১ থেকে ৪৮ স্ট্রিট এবং ৪২ স্ট্রিটের বড় একটি অংশসহ ৩০টির বেশি সড়ক পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ রাখা হচ্ছে। বিশ্বনেতাদের মোটরকেড চলাচলের সময় প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সড়কে সাময়িক ‘রোলিং ক্লোজার’ও দেওয়া হবে।
পরিবহন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এই সপ্তাহে মিডটাউন ম্যানহাটনে যানবাহনের গতি ঘণ্টায় ৪ মাইলের নিচে নেমে আসতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নগরবাসী ও চাকরিজীবীদের ব্যক্তিগত গাড়ি এড়িয়ে সাবওয়ে, ফেরি কিংবা সাইকেল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এবারের অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যোগ দিচ্ছেন। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নিউইয়র্কে প্রতিদিন একাধিক রাজনৈতিক বিক্ষোভের কর্মসূচি থাকায় পুলিশকে বাড়তি সতর্ক রাখা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ভাষণের পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত কয়েকটি আলোচনায় যোগ দেবেন। বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেও তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। উন্নয়ন, মহামারি মোকাবিলা ও প্রস্তুতি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হবে। অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচ এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
এ ছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে। সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কয়েক দিন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানা গেলেও পরে তা সংক্ষিপ্ত করা হয়। ২১ থেকে ২৯ বা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান এবং সানফ্রান্সিসকো সফরের সম্ভাবনার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে এলেও শেষ পর্যন্ত সানফ্রান্সিসকো সফর বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকারি ব্যয় কমানো ও সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন নিয়েও পরিবর্তন এসেছে। সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকারি অর্থ ব্যয়ে বড় পরিসরে নাগরিক সংবর্ধনা নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগ্রহী নন।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি গিয়াস আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনা আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে তারেক রহমান সরকারি অর্থ ব্যয়ে এমন আয়োজনে সম্মতি দেননি। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিজস্ব অর্থায়নে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ঠিকানা/এনআই