প্রথম স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে ফাঁসাতে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলে পলাশ হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৬ বছর পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বরিশালের মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ এই দণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত পলাশ হাওলাদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পরমানন্দ সাহ গ্রামের মৃত আলী আকবরের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় পলাশ পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
এ ছাড়া মামলার অপর দুই অভিযুক্ত একই গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে কাওসার হাওলাদার ও করম আলী হাওলাদারের ছেলে মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বরাতে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী তুহিন মোল্লা জানান, ‘প্রথম স্ত্রীকে বিয়ের এক বছর পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন পলাশ। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে চাইলে বাধা দেন বাবা আলী আকবর। পাশাপাশি প্রথম স্ত্রীকে সংসারে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।
এদিকে ভরণপোষণ না দেওয়ায় পলাশের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রথম স্ত্রী। ওই মামলায় পলাশ ১৭ দিন কারাভোগও করেছেন। জামিনে বের হয়ে প্রথম স্ত্রী, তার বাবা ও মাকে ফাঁসাতে নিজের বাবাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১০ সালের ২ মে রাতে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ঘর থেকে বাবা আলী আকবরকে ডেকে বের করেন পলাশ। পরদিন বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় আলী আকবরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মাথায় জখমের চিহ্ন ছিল। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে শহিদ হাওলাদার বাদী হয়ে ভাই পলাশকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পুলিশ পলাশকে গ্রেপ্তারের পর তিনি হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। ২০১১ সালের ২৫ মার্চ পলাশসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন উজিরপুর মডেল থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ সুকুমার রায়। মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।
ঠিকানা/এনআই
হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৬ বছর পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বরিশালের মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ এই দণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত পলাশ হাওলাদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পরমানন্দ সাহ গ্রামের মৃত আলী আকবরের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় পলাশ পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
এ ছাড়া মামলার অপর দুই অভিযুক্ত একই গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে কাওসার হাওলাদার ও করম আলী হাওলাদারের ছেলে মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বরাতে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী তুহিন মোল্লা জানান, ‘প্রথম স্ত্রীকে বিয়ের এক বছর পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন পলাশ। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে চাইলে বাধা দেন বাবা আলী আকবর। পাশাপাশি প্রথম স্ত্রীকে সংসারে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।
এদিকে ভরণপোষণ না দেওয়ায় পলাশের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রথম স্ত্রী। ওই মামলায় পলাশ ১৭ দিন কারাভোগও করেছেন। জামিনে বের হয়ে প্রথম স্ত্রী, তার বাবা ও মাকে ফাঁসাতে নিজের বাবাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১০ সালের ২ মে রাতে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ঘর থেকে বাবা আলী আকবরকে ডেকে বের করেন পলাশ। পরদিন বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় আলী আকবরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মাথায় জখমের চিহ্ন ছিল। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে শহিদ হাওলাদার বাদী হয়ে ভাই পলাশকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পুলিশ পলাশকে গ্রেপ্তারের পর তিনি হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। ২০১১ সালের ২৫ মার্চ পলাশসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন উজিরপুর মডেল থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ সুকুমার রায়। মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।
ঠিকানা/এনআই