দেশের সীমানা পেরিয়ে প্রবাসে গড়ে উঠেছে এক বিস্তৃত বাংলাদেশ—যেখানে সংস্কৃতি, ভাষা ও মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন প্রবাসীরা। সেই ধারাবাহিকতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী আড্ডা ও আলোচনা সভা, যা উপস্থিত সুধীজনদের জন্য হয়ে ওঠে স্মরণীয় এক মিলনমেলা।
১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে ঠিকানা পত্রিকার কার্যালয়ে আয়োজিত এই আড্ডায় লেখক, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের স্বাগত জানান পত্রিকাটির সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা-এর সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন।
একসময়কার জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আসমা আহমেদ এবং লেখক শিলা মোস্তফাকে ঘিরে জমে ওঠে আলোচনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহেরসহ রহমান মাহবুব, শেলী জামান খান, রওশন হক, ফরিদা ইয়াসমিন, ফকু চৌধুরী, জাকির হোসেন, রাশিদা আখতার, সৈয়দ মাসুদুল কবির, এজাজ আহমেদ, ড. রফিকুল ইসলাম, ডা. প্রতাপ চন্দ্র দাস, এজাজ আলম, আবীর আলমগীর, আনিসুল ইসলাম জাসির প্রমুখ।

আড্ডায় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আসমা আহমেদ তাঁর পিতা, বাংলা ভাষার প্রথম সবাক চলচ্চিত্রের অভিনেতা ইনাম আহমেদের কথা তুলে ধরেন। সিলেট অঞ্চলের মানুষ হলেও বাবার কঠোর প্রয়াসে শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা ও পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠার স্মৃতি ভাগ করে নেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “আমরা যেখানেই থাকি না কেন, নিজেদের মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
লেখক শিলা মোস্তফা বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে আসমা আহমেদের মতো ব্যক্তিত্ব নারীদের অগ্রযাত্রায় অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন। তিনি নিজের লেখালেখি এবং প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।
আবু তাহের তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সিলেট অঞ্চলে বড় হতে হতে আমরা আসমা আহমেদের নাম শুনেই বড় হয়েছি। বাংলাদেশে একমাত্র টেলিভিশনের যুগে তিনি পেশাদারিত্বের যে মানদণ্ড তৈরি করেছেন, তা আজও অনুসরণযোগ্য।”
প্রাণবন্ত এই আড্ডা-আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, প্রবাসে থেকেও এমন আয়োজন তাদের শেকড়ের কাছাকাছি নিয়ে আসে। স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তরিক কথোপকথনে বিকেলটি হয়ে ওঠে উষ্ণ ও অর্থবহ এক আয়োজন।
ঠিকানা/এসআর
১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে ঠিকানা পত্রিকার কার্যালয়ে আয়োজিত এই আড্ডায় লেখক, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের স্বাগত জানান পত্রিকাটির সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা-এর সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন।
একসময়কার জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আসমা আহমেদ এবং লেখক শিলা মোস্তফাকে ঘিরে জমে ওঠে আলোচনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহেরসহ রহমান মাহবুব, শেলী জামান খান, রওশন হক, ফরিদা ইয়াসমিন, ফকু চৌধুরী, জাকির হোসেন, রাশিদা আখতার, সৈয়দ মাসুদুল কবির, এজাজ আহমেদ, ড. রফিকুল ইসলাম, ডা. প্রতাপ চন্দ্র দাস, এজাজ আলম, আবীর আলমগীর, আনিসুল ইসলাম জাসির প্রমুখ।

আড্ডায় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আসমা আহমেদ তাঁর পিতা, বাংলা ভাষার প্রথম সবাক চলচ্চিত্রের অভিনেতা ইনাম আহমেদের কথা তুলে ধরেন। সিলেট অঞ্চলের মানুষ হলেও বাবার কঠোর প্রয়াসে শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা ও পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠার স্মৃতি ভাগ করে নেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “আমরা যেখানেই থাকি না কেন, নিজেদের মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
লেখক শিলা মোস্তফা বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে আসমা আহমেদের মতো ব্যক্তিত্ব নারীদের অগ্রযাত্রায় অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন। তিনি নিজের লেখালেখি এবং প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।
আবু তাহের তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সিলেট অঞ্চলে বড় হতে হতে আমরা আসমা আহমেদের নাম শুনেই বড় হয়েছি। বাংলাদেশে একমাত্র টেলিভিশনের যুগে তিনি পেশাদারিত্বের যে মানদণ্ড তৈরি করেছেন, তা আজও অনুসরণযোগ্য।”
প্রাণবন্ত এই আড্ডা-আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, প্রবাসে থেকেও এমন আয়োজন তাদের শেকড়ের কাছাকাছি নিয়ে আসে। স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তরিক কথোপকথনে বিকেলটি হয়ে ওঠে উষ্ণ ও অর্থবহ এক আয়োজন।
ঠিকানা/এসআর