নিউইয়র্কে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বাড়তে থাকা খরচে হিমশিম খাওয়া পরিবারগুলোর জন্য বড় ধরনের স্বস্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিউ-ইয়র্ক স্টেটের জ্বালানি ব্যয় সহনীয় রাখার কর্মসূচির আওতা সম্প্রসারণের ফলে আরও প্রায় ২৫ লাখ পরিবার এখন মাসিক বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিলে ছাড় পাওয়ার যোগ্য হতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সুবিধা এখন আর শুধু সরকারি সহায়তা পাওয়া নিম্ন-আয়ের পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নিউইয়র্ক সিটি ও ওয়েস্টচেস্টারে কন এডিসনের আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকলে নতুন সম্প্রসারিত কর্মসূচির আওতায় আবেদন করা যাচ্ছে।
ফলে এমন অনেক কর্মজীবী ও মধ্যম আয়ের পরিবার, যারা আগে সরকারি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পড়তেন না, তারাও এবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিলে ছাড় পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
চার সদস্যের পরিবারের আয়সীমা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার।
কন এডিসনের ২০২৬ সালের যোগ্যতার তালিকা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে বার্ষিক সর্বোচ্চ আয়সীমা হচ্ছে। এক সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪০০ ডলার, দুই সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ ডলার, তিন সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ ডলার, চার সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার, পাঁচ সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার, ছয় সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৮৮ হাজার ডলার, সাত সদস্যের পরিবারে ২ লাখ ৯০০ ডলার এবং আট সদস্যের পরিবারে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০০ ডলার।
অর্থাৎ কুইন্স, ব্রুকলিন, ব্রঙ্কস বা ম্যানহাটনে বসবাসকারী চার সদস্যের একটি পরিবারের মোট বার্ষিক আয় ১ লাখ ৬২ হাজার ডলারের নিচে হলেও তারা এই কর্মসূচির জন্য যোগ্য হতে পারেন। এটি বিশেষ করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরিবারের দুজন সদস্য চাকরি বা ব্যবসা করলেও মোট আয় অনেক সময় প্রচলিত নিম্ন-আয়ের সরকারি সহ-ায়তার সীমা ছাড়িয়ে যায়। আগে এ ধরনের পরিবার সাধারণত ইউটিলিটি সহায়তার বাইরে থাকলেও নতুন নিয়মে তাদের একটি বড় অংশ এখন আবেদন করতে পারবে।
ছাড়ের পরিমাণ সবার জন্য এক নয়। পরিবারের আয়, বিদ্যুৎ বা গ্যাস দিয়ে ঘর গরম করা হয় কি না এবং পরিবারটি কোন আয়স্তরে পড়ে, তার ওপর ভিত্তি করে মাসিক ছাড় নির্ধারিত হয়।
সর্বনিম্ন আয়ের স্তরে কন এডিসনের যোগ্য গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিলে মাসে ৩৩ ডলারের বেশি এবং গ্যাস দিয়ে বাড়ি গরম করলে গ্যাস বিলে ১৩৫ ডলারের বেশি ছাড় পেতে পারেন।
কোনো পরিবার উভয় সুবিধার জন্য যোগ্য হলে মোট মাসিক ছাড় প্রায় ১৬৯ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে আয়ের সীমার কাছাকাছি থাকা পরিবারের ছাড় এর চেয়ে কম হতে পারে। অর্থাৎ চার সদস্যের ৮০ হাজার ডলার আয় করা পরিবার এবং ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করা পরিবারড়দুজনেই যোগ্য হলেও তাদের ছাড়ের পরিমাণ এক হবে না।
নিউইয়র্ক স্টেটের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো- যোগ্য পরিবারের সাধারণ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যয় এমন পর্যায়ে রাখা, যাতে তা পরিবারের মোট আয়ের প্রায় ৬ শতাংশের মধ্যে থাকে।
যারা ইতোমধ্যে বাড়ির জ্বালানি সহায়তা, নগদ সহায়তা বা অন্যান্য নির্দিষ্ট সরকারি কর্মসূচির সুবিধা পান, তাদের অনেককে এই কর্মসূচিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
অন্যদিকে খাদ্য সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, সরকারি আবাসন সহায়তা, প্রবীণ সেনাসদস্যের অক্ষমতা ভাতা বা স্বল্পমূল্যের টেলিফোন সেবার মতো নির্দিষ্ট সহায়তা পাওয়া গ্রাহকদেরও যোগ্যতা থাকতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের নিজ থেকে আবেদন করতে হতে পারে। সরকারি সহায়তা না পেলেও আবেদন করা যাবে। নতুন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এখানেই। আগে কেউ যদি ভাবতেন, তিনি সরকারি সহায়তা পান না বলে বিদ্যুৎ বা গ্যাসের বিলে ছাড় পাওয়ার যোগ্য নন, তাহলে সেই ধারণা এখন আর সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। আপনি কন এডিসনের আবাসিক গ্রাহক কি না, আপনার পরিবারের সদস্যসংখ্যা কত, পরিবারের মোট আয় কত এবং আপনি আগে থেকেই কোনো জ্বালানি সহায়তা কর্মসূচিতে আছেন কি না। আয়ের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সাম্প্রতিক আয়ের প্রমাণ দিতে হবে। এর মধ্যে বেতন রসিদ, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার বিবরণী, পেনশনের নথি, স্বনিয়োজিত আয়ের নথি এবং অন্যান্য গ্রহণযোগ্য কাগজপত্র থাকতে পারে।
কন এডিসনের গ্রাহকেরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করতে না পারলে ডাক বা ফ্যাক্সের মাধ্যমেও আবেদন করার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলা ভাষাতেও আবেদনপত্র পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
যারা ইতোমধ্যে সরকারি জ্বালানি সহায়তা পান, তাদের অনেকের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছাড় যুক্ত হতে পারে। তবে নিজের বিলে ছাড় কার্যকর হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা ভালো। গভর্নর ক্যাথি হোকুলের প্রশাসন রাজ্যজুড়ে নতুন করে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ২১ হাজারের বেশি পরিবার আবেদন করেছে। রাজ্যের হিসাবে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাচ্ছে। কিন্তু সম্প্রসারিত যোগ্যতার কারণে আরও প্রায় ২৫ লাখ পরিবার এই সুবিধা পাওয়ার উপযুক্ত হতে পারে। অর্থাৎ বিপুলসংখ্যক পরিবার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও এখনো আবেদন করেনি।
২০০ ডলারের জ্বালানি সহায়তা আলাদা। এই মাসিক ছাড়ের পাশাপাশি নি-উইয়র্ক স্টেট আলাদাভাবে এককালীন জ্বালানি সহায়তার ব্যবস্থাও করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় লাখো নিউইয়র্ক পরিবার আয় ও কর জমা দেওয়ার অবস্থার ভিত্তিতে ১০০, ১৫০ অথবা ২০০ ডলার পর্যন্ত এককালীন অর্থ পেতে পারে। এটি মাসিক বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল ছাড়ের কর্মসূচি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ফলে কোনো পরিবার যোগ্য হলে একদিকে এককালীন জ্বালানি সহায়তা এবং অন্যদিকে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিলে ছাড়ড়দুই ধরনের সুবিধাই পেতে পারে। কন এডিসনের গ্রাহকদের নিজেদের সর্বশেষ বিল পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ইতোমধ্যে কোনো ছাড় যুক্ত হয়েছে কি না দেখা যেতে পারে। যারা বর্তমানে কোনো ছাড় পাচ্ছেন না, তাদের শুধু 'আমার আয় বেশি' বা 'আমি সরকারি সহায়তা পাই না'ড়এই ধারণার কারণে আবেদন থেকে বিরত না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশষ করে চার সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার এবং পাঁচ সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার পর্যন্ত আয়সীমা থাকায় নিউইয়র্ক সিটির উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মধ্যম আয়ের পরিবারও এবার এই সুবিধার আওতায় আসতে পারে।
বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে নিউইয়র্ক স্টেটের জ্বালানি সহায়তা বিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট এবং কন এডিসনের ওয়েবসাইটে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সুবিধা এখন আর শুধু সরকারি সহায়তা পাওয়া নিম্ন-আয়ের পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। নিউইয়র্ক সিটি ও ওয়েস্টচেস্টারে কন এডিসনের আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকলে নতুন সম্প্রসারিত কর্মসূচির আওতায় আবেদন করা যাচ্ছে।
ফলে এমন অনেক কর্মজীবী ও মধ্যম আয়ের পরিবার, যারা আগে সরকারি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পড়তেন না, তারাও এবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিলে ছাড় পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
চার সদস্যের পরিবারের আয়সীমা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার।
কন এডিসনের ২০২৬ সালের যোগ্যতার তালিকা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে বার্ষিক সর্বোচ্চ আয়সীমা হচ্ছে। এক সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪০০ ডলার, দুই সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ ডলার, তিন সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ ডলার, চার সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার, পাঁচ সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার, ছয় সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৮৮ হাজার ডলার, সাত সদস্যের পরিবারে ২ লাখ ৯০০ ডলার এবং আট সদস্যের পরিবারে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০০ ডলার।
অর্থাৎ কুইন্স, ব্রুকলিন, ব্রঙ্কস বা ম্যানহাটনে বসবাসকারী চার সদস্যের একটি পরিবারের মোট বার্ষিক আয় ১ লাখ ৬২ হাজার ডলারের নিচে হলেও তারা এই কর্মসূচির জন্য যোগ্য হতে পারেন। এটি বিশেষ করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরিবারের দুজন সদস্য চাকরি বা ব্যবসা করলেও মোট আয় অনেক সময় প্রচলিত নিম্ন-আয়ের সরকারি সহ-ায়তার সীমা ছাড়িয়ে যায়। আগে এ ধরনের পরিবার সাধারণত ইউটিলিটি সহায়তার বাইরে থাকলেও নতুন নিয়মে তাদের একটি বড় অংশ এখন আবেদন করতে পারবে।
ছাড়ের পরিমাণ সবার জন্য এক নয়। পরিবারের আয়, বিদ্যুৎ বা গ্যাস দিয়ে ঘর গরম করা হয় কি না এবং পরিবারটি কোন আয়স্তরে পড়ে, তার ওপর ভিত্তি করে মাসিক ছাড় নির্ধারিত হয়।
সর্বনিম্ন আয়ের স্তরে কন এডিসনের যোগ্য গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিলে মাসে ৩৩ ডলারের বেশি এবং গ্যাস দিয়ে বাড়ি গরম করলে গ্যাস বিলে ১৩৫ ডলারের বেশি ছাড় পেতে পারেন।
কোনো পরিবার উভয় সুবিধার জন্য যোগ্য হলে মোট মাসিক ছাড় প্রায় ১৬৯ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে আয়ের সীমার কাছাকাছি থাকা পরিবারের ছাড় এর চেয়ে কম হতে পারে। অর্থাৎ চার সদস্যের ৮০ হাজার ডলার আয় করা পরিবার এবং ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করা পরিবারড়দুজনেই যোগ্য হলেও তাদের ছাড়ের পরিমাণ এক হবে না।
নিউইয়র্ক স্টেটের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো- যোগ্য পরিবারের সাধারণ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যয় এমন পর্যায়ে রাখা, যাতে তা পরিবারের মোট আয়ের প্রায় ৬ শতাংশের মধ্যে থাকে।
যারা ইতোমধ্যে বাড়ির জ্বালানি সহায়তা, নগদ সহায়তা বা অন্যান্য নির্দিষ্ট সরকারি কর্মসূচির সুবিধা পান, তাদের অনেককে এই কর্মসূচিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
অন্যদিকে খাদ্য সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, সরকারি আবাসন সহায়তা, প্রবীণ সেনাসদস্যের অক্ষমতা ভাতা বা স্বল্পমূল্যের টেলিফোন সেবার মতো নির্দিষ্ট সহায়তা পাওয়া গ্রাহকদেরও যোগ্যতা থাকতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের নিজ থেকে আবেদন করতে হতে পারে। সরকারি সহায়তা না পেলেও আবেদন করা যাবে। নতুন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এখানেই। আগে কেউ যদি ভাবতেন, তিনি সরকারি সহায়তা পান না বলে বিদ্যুৎ বা গ্যাসের বিলে ছাড় পাওয়ার যোগ্য নন, তাহলে সেই ধারণা এখন আর সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। আপনি কন এডিসনের আবাসিক গ্রাহক কি না, আপনার পরিবারের সদস্যসংখ্যা কত, পরিবারের মোট আয় কত এবং আপনি আগে থেকেই কোনো জ্বালানি সহায়তা কর্মসূচিতে আছেন কি না। আয়ের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সাম্প্রতিক আয়ের প্রমাণ দিতে হবে। এর মধ্যে বেতন রসিদ, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার বিবরণী, পেনশনের নথি, স্বনিয়োজিত আয়ের নথি এবং অন্যান্য গ্রহণযোগ্য কাগজপত্র থাকতে পারে।
কন এডিসনের গ্রাহকেরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করতে না পারলে ডাক বা ফ্যাক্সের মাধ্যমেও আবেদন করার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলা ভাষাতেও আবেদনপত্র পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
যারা ইতোমধ্যে সরকারি জ্বালানি সহায়তা পান, তাদের অনেকের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছাড় যুক্ত হতে পারে। তবে নিজের বিলে ছাড় কার্যকর হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা ভালো। গভর্নর ক্যাথি হোকুলের প্রশাসন রাজ্যজুড়ে নতুন করে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ২১ হাজারের বেশি পরিবার আবেদন করেছে। রাজ্যের হিসাবে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাচ্ছে। কিন্তু সম্প্রসারিত যোগ্যতার কারণে আরও প্রায় ২৫ লাখ পরিবার এই সুবিধা পাওয়ার উপযুক্ত হতে পারে। অর্থাৎ বিপুলসংখ্যক পরিবার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও এখনো আবেদন করেনি।
২০০ ডলারের জ্বালানি সহায়তা আলাদা। এই মাসিক ছাড়ের পাশাপাশি নি-উইয়র্ক স্টেট আলাদাভাবে এককালীন জ্বালানি সহায়তার ব্যবস্থাও করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় লাখো নিউইয়র্ক পরিবার আয় ও কর জমা দেওয়ার অবস্থার ভিত্তিতে ১০০, ১৫০ অথবা ২০০ ডলার পর্যন্ত এককালীন অর্থ পেতে পারে। এটি মাসিক বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল ছাড়ের কর্মসূচি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ফলে কোনো পরিবার যোগ্য হলে একদিকে এককালীন জ্বালানি সহায়তা এবং অন্যদিকে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিলে ছাড়ড়দুই ধরনের সুবিধাই পেতে পারে। কন এডিসনের গ্রাহকদের নিজেদের সর্বশেষ বিল পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ইতোমধ্যে কোনো ছাড় যুক্ত হয়েছে কি না দেখা যেতে পারে। যারা বর্তমানে কোনো ছাড় পাচ্ছেন না, তাদের শুধু 'আমার আয় বেশি' বা 'আমি সরকারি সহায়তা পাই না'ড়এই ধারণার কারণে আবেদন থেকে বিরত না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশষ করে চার সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৬২ হাজার ডলার এবং পাঁচ সদস্যের পরিবারে ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার পর্যন্ত আয়সীমা থাকায় নিউইয়র্ক সিটির উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মধ্যম আয়ের পরিবারও এবার এই সুবিধার আওতায় আসতে পারে।
বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে নিউইয়র্ক স্টেটের জ্বালানি সহায়তা বিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইট এবং কন এডিসনের ওয়েবসাইটে।