যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরিতে বন্দুকধারীর হামলায় শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর পর ভেতরে ঢুকে হামলা চালায় ওই বন্দুকধারী। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
পরে ঘটনাস্থলে সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে গুলির শব্দ শুনে পুলিশ ওই বাড়িতে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানান, এক বন্দুকধারীকে বাড়ির বাইরে গুলি চালাতে দেখেছেন তারা।
পরে ওই ব্যক্তি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তায় দুই নারীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের দুজনেরই গুলিতে মৃত্যু হয়েছে। এরপর বাড়িটি ঘিরে অবস্থান নেয় পুলিশ ও বিশেষ কৌশলগত দল। এ সময় বাড়ির ভেতর থেকে আরও গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে পুলিশ বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে।
সেখানে আরও ৭ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, নিজের ছোড়া গুলিতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ। তিনি বলেন, তার দেখা সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলোর একটি এটি।
লোরাহ বলেন, ‘প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি, তা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। বর্তমানে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মারা গেছে। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, জনসাধারণের জন্য আর কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের, তাদের পরিবার এবং এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি আমাদের সমবেদনা। এ প্রাণহানির নির্মমতা প্রকাশের মতো কোনো শব্দ নেই।’
কর্তৃপক্ষ শনিবার জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি ও হামলার উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত চলছে।
এদিকে এরি শহর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, তাৎক্ষণিক বিপদের আশঙ্কা কেটে গেছে।
বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করে শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, এ খবর নগরবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। তবে হামলার আগে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ঠিকানা/এনআই
পরে ঘটনাস্থলে সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে গুলির শব্দ শুনে পুলিশ ওই বাড়িতে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানান, এক বন্দুকধারীকে বাড়ির বাইরে গুলি চালাতে দেখেছেন তারা।
পরে ওই ব্যক্তি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তায় দুই নারীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের দুজনেরই গুলিতে মৃত্যু হয়েছে। এরপর বাড়িটি ঘিরে অবস্থান নেয় পুলিশ ও বিশেষ কৌশলগত দল। এ সময় বাড়ির ভেতর থেকে আরও গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে পুলিশ বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে।
সেখানে আরও ৭ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, নিজের ছোড়া গুলিতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ। তিনি বলেন, তার দেখা সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলোর একটি এটি।
লোরাহ বলেন, ‘প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি, তা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। বর্তমানে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মারা গেছে। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, জনসাধারণের জন্য আর কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিদের, তাদের পরিবার এবং এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি আমাদের সমবেদনা। এ প্রাণহানির নির্মমতা প্রকাশের মতো কোনো শব্দ নেই।’
কর্তৃপক্ষ শনিবার জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি ও হামলার উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত চলছে।
এদিকে এরি শহর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, তাৎক্ষণিক বিপদের আশঙ্কা কেটে গেছে।
বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করে শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, এ খবর নগরবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। তবে হামলার আগে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ঠিকানা/এনআই