বিএনপির সংসদ সদস্যদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও অপকর্ম প্রতিরোধ, চাঁদাবাজ-দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, দুর্গাপূজায় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার এ সভায় ১৯৪ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বাল্যবিবাহ বন্ধে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন চাঁদাবাজি বা দখলদারত্ব করতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান। পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভাব-অভিযোগ শুনে সমাধানের উদ্যোগ নিতে বলেন।
শেখ হাসিনাকে আইনি ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও গুপ্ত শক্তি একসঙ্গে হয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালনের পরিবেশ বজায় রাখতে সংসদ সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে। তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় করে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে হবে। দলীয় সমর্থন পেলেও প্রার্থীকে নিজের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে জয়ী হতে হবে; এ ক্ষেত্রে সরকার ও প্রশাসনের সহায়তা পাওয়া যাবে না।
সভা শেষে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, বিচার বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করা, সরকারের জবাবদিহি বাড়ানো এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
ঠিকানা/এনআই
রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টার এ সভায় ১৯৪ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বাল্যবিবাহ বন্ধে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন চাঁদাবাজি বা দখলদারত্ব করতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান। পাশাপাশি তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভাব-অভিযোগ শুনে সমাধানের উদ্যোগ নিতে বলেন।
শেখ হাসিনাকে আইনি ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও গুপ্ত শক্তি একসঙ্গে হয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালনের পরিবেশ বজায় রাখতে সংসদ সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে। তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় করে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে হবে। দলীয় সমর্থন পেলেও প্রার্থীকে নিজের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে জয়ী হতে হবে; এ ক্ষেত্রে সরকার ও প্রশাসনের সহায়তা পাওয়া যাবে না।
সভা শেষে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, বিচার বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করা, সরকারের জবাবদিহি বাড়ানো এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
ঠিকানা/এনআই