জিম্বাবুয়ের সাবেক পেসার ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার সারাহ ডাম্বানেভানা মারা গেছেন। সোমবার হারারেতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩৬ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের (জেডসি) বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত মার্চে একটি চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর থেকে হাসপাতালে ছিলেন সারাহ।
খেলোয়াড় হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি। পরে আম্পায়ারিংয়ে যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন। ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিনিয়র আম্পায়ার হিসেবে তাঁর অভিষেক হয়।
২০২৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন সারাহ। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ পরিচালনা করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আম্পায়ারিং করা প্রথম জিম্বাবুয়েন নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েন সারাহ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট ৬৩টি সিনিয়র ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর মধ্যে ৪২টি নারী টি-টোয়েন্টি, ১১টি নারী ওয়ানডে ও ১০টি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। ২০২২ সালে আইসিসির আম্পায়ারদের ডেভেলপমেন্ট প্যানেলেও জায়গা পান তিনি।
সারাহর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান তাভেঙ্গা মুকুহলানি। তিনি বলেন, খেলোয়াড় ও আম্পায়ার হিসেবে সারাহ নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করেছেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে তাঁর আম্পায়ারিং জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের জন্য গর্বের মুহূর্ত ছিল।
মুকুহলানি আরও বলেন, সারাহর অর্জন তরুণ নারীদের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখিয়েছে। তাঁর পেশাদারত্ব, নিষ্ঠা ও অন্যদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ঠিকানা/এসআর
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের (জেডসি) বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত মার্চে একটি চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর থেকে হাসপাতালে ছিলেন সারাহ।
খেলোয়াড় হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি। পরে আম্পায়ারিংয়ে যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন। ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিনিয়র আম্পায়ার হিসেবে তাঁর অভিষেক হয়।
২০২৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন সারাহ। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ পরিচালনা করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আম্পায়ারিং করা প্রথম জিম্বাবুয়েন নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েন সারাহ।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট ৬৩টি সিনিয়র ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর মধ্যে ৪২টি নারী টি-টোয়েন্টি, ১১টি নারী ওয়ানডে ও ১০টি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। ২০২২ সালে আইসিসির আম্পায়ারদের ডেভেলপমেন্ট প্যানেলেও জায়গা পান তিনি।
সারাহর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান তাভেঙ্গা মুকুহলানি। তিনি বলেন, খেলোয়াড় ও আম্পায়ার হিসেবে সারাহ নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করেছেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে তাঁর আম্পায়ারিং জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের জন্য গর্বের মুহূর্ত ছিল।
মুকুহলানি আরও বলেন, সারাহর অর্জন তরুণ নারীদের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখিয়েছে। তাঁর পেশাদারত্ব, নিষ্ঠা ও অন্যদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ঠিকানা/এসআর