রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় ব্যক্তিগত লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং নিজের ও অন্যদের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন।
আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন এ ব্যাখ্যা দেন। তাঁর বক্তব্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি চলাকালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এতে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হওয়ায় আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন তাঁরা।
বিবৃতিতে ইশরাক বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।
প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থান থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এর আগে শনিবার ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে কয়েকজনকে ধাওয়া করতে দেখা যায়। ভিডিওতে গাড়ি থেকে নেমে তাঁকে চিৎকার করে লোকজনকে ধরার নির্দেশ দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের অভিযানে অংশ নেওয়া এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও জনসমক্ষে কীভাবে অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন করা যাবে, সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা রয়েছে। নীতিমালায় আত্মরক্ষার জন্য বৈধ অস্ত্র বহনের অনুমতি থাকলেও অন্যের মধ্যে ভীতি বা বিরক্তি সৃষ্টি করতে পারে, এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ইশরাকের বিবৃতিতে নিরাপত্তাঝুঁকির কথা বলা হলেও অভিযানের সময় অস্ত্র প্রদর্শন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা আইন ও নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না, তা পুলিশের তদন্তে নির্ধারিত হবে।
ঠিকানা/এসআর
আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন এ ব্যাখ্যা দেন। তাঁর বক্তব্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি চলাকালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এতে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হওয়ায় আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন তাঁরা।
বিবৃতিতে ইশরাক বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।
প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থান থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এর আগে শনিবার ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে কয়েকজনকে ধাওয়া করতে দেখা যায়। ভিডিওতে গাড়ি থেকে নেমে তাঁকে চিৎকার করে লোকজনকে ধরার নির্দেশ দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের অভিযানে অংশ নেওয়া এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স থাকলেও জনসমক্ষে কীভাবে অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন করা যাবে, সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা রয়েছে। নীতিমালায় আত্মরক্ষার জন্য বৈধ অস্ত্র বহনের অনুমতি থাকলেও অন্যের মধ্যে ভীতি বা বিরক্তি সৃষ্টি করতে পারে, এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ইশরাকের বিবৃতিতে নিরাপত্তাঝুঁকির কথা বলা হলেও অভিযানের সময় অস্ত্র প্রদর্শন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা আইন ও নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না, তা পুলিশের তদন্তে নির্ধারিত হবে।
ঠিকানা/এসআর