ব্যাট হাতে ফিফটি, বল হাতে ৬ উইকেট, আরাফাত মিনহাসের দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ইংল্যান্ডকে ৮৭ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডিতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। এর আগে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল পাকিস্তান।
প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ৩০২ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। দলের হয়ে ৫৮ বলে ৫৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন মিনহাস। জবাবে তার ঘূর্ণিতে দিশেহারা ইংল্যান্ড ৪৩.৪ ওভারে ২১৫ রানেই গুটিয়ে যায়। বাঁহাতি এই স্পিনার ৪০ রানে নেন ৬ উইকেট। ওয়ানডেতে অর্ধশতক ও পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়া তৃতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হলেন তিনি। নিজের পঞ্চম ওয়ানডে খেলতে নেমেই দ্বিতীয়বার পেলেন ৫ বা তার বেশি উইকেটের স্বাদ।
টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। শিশিরের সুবিধা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো করার আশা ছিল তার। তবে শুরুতে পাকিস্তানকে চাপে ফেললেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশরা।
৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর বাবর আজমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। উইল জ্যাকসের বলে ৩৪ রান করে বোল্ড হন তিনি। একপর্যায়ে ১৯তম ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮১ রানে ৪ উইকেট। সেখান থেকে দলকে লড়াইয়ে ফেরান হাসান নওয়াজ ও মিনহাস। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৭৮ রানের জুটি পাকিস্তানের ইনিংসে গতি ফেরায়।
৪৬ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করা নওয়াজ শেষ পর্যন্ত ৭৪ বল খেলে করেন গুরুত্বপূর্ণ ৭৯ রান। তার সঙ্গে মিনহাসের জুটি ভাঙার পর ফাহিম আশরাফকে নিয়ে আরও ৪৯ বলে ৭২ রান যোগ করেন মিনহাস। শেষদিকে আশরাফের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের হয়ে সনি বেকার ৬৫ রানে নেন ৩ উইকেট।
৩০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায় ইংল্যান্ড। বেন ডাকেট ও টম ব্যান্টনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৯১ রান। ডাকেট ৮৬ এবং ব্যান্টন ৫৭ রান করে ফিরলেও তখনও জয়ের আশা ছিল ইংলিশদের।
কিন্তু মিনহাসের ঘূর্ণিতে দ্রুত বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ব্যান্টনকে ফিরিয়ে শুরু করা আঘাতের পর ব্রুককে বোল্ড করেন তিনি। এরপর জো রুট ও স্যাম কারানের বিদায়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। শেষদিকে উইল জ্যাকস ও আদিল রশিদকেও ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেন মিনহাস। গাস অ্যাটকিনসনকে রানআউট করে ম্যাচের শেষটাও নিজের করে নেন এই তরুণ অলরাউন্ডার।
ব্যাটে-বলে অসাধারণ পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে বড় জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের আগমনী বার্তাও জোরালোভাবে জানালেন মিনহাস। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
ঠিকানা/এএস
প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ৩০২ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। দলের হয়ে ৫৮ বলে ৫৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন মিনহাস। জবাবে তার ঘূর্ণিতে দিশেহারা ইংল্যান্ড ৪৩.৪ ওভারে ২১৫ রানেই গুটিয়ে যায়। বাঁহাতি এই স্পিনার ৪০ রানে নেন ৬ উইকেট। ওয়ানডেতে অর্ধশতক ও পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়া তৃতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হলেন তিনি। নিজের পঞ্চম ওয়ানডে খেলতে নেমেই দ্বিতীয়বার পেলেন ৫ বা তার বেশি উইকেটের স্বাদ।
টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। শিশিরের সুবিধা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো করার আশা ছিল তার। তবে শুরুতে পাকিস্তানকে চাপে ফেললেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশরা।
৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর বাবর আজমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। উইল জ্যাকসের বলে ৩৪ রান করে বোল্ড হন তিনি। একপর্যায়ে ১৯তম ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮১ রানে ৪ উইকেট। সেখান থেকে দলকে লড়াইয়ে ফেরান হাসান নওয়াজ ও মিনহাস। পঞ্চম উইকেটে তাদের ৭৮ রানের জুটি পাকিস্তানের ইনিংসে গতি ফেরায়।
৪৬ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করা নওয়াজ শেষ পর্যন্ত ৭৪ বল খেলে করেন গুরুত্বপূর্ণ ৭৯ রান। তার সঙ্গে মিনহাসের জুটি ভাঙার পর ফাহিম আশরাফকে নিয়ে আরও ৪৯ বলে ৭২ রান যোগ করেন মিনহাস। শেষদিকে আশরাফের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের হয়ে সনি বেকার ৬৫ রানে নেন ৩ উইকেট।
৩০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায় ইংল্যান্ড। বেন ডাকেট ও টম ব্যান্টনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৯১ রান। ডাকেট ৮৬ এবং ব্যান্টন ৫৭ রান করে ফিরলেও তখনও জয়ের আশা ছিল ইংলিশদের।
কিন্তু মিনহাসের ঘূর্ণিতে দ্রুত বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ব্যান্টনকে ফিরিয়ে শুরু করা আঘাতের পর ব্রুককে বোল্ড করেন তিনি। এরপর জো রুট ও স্যাম কারানের বিদায়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। শেষদিকে উইল জ্যাকস ও আদিল রশিদকেও ফিরিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট পূর্ণ করেন মিনহাস। গাস অ্যাটকিনসনকে রানআউট করে ম্যাচের শেষটাও নিজের করে নেন এই তরুণ অলরাউন্ডার।
ব্যাটে-বলে অসাধারণ পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে বড় জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের আগমনী বার্তাও জোরালোভাবে জানালেন মিনহাস। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
ঠিকানা/এএস