আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাই, জোটের আসন সমঝোতা ও তৃণমূলের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের মতবিরোধ এবং বিদ্রোহী প্রার্থীর আশঙ্কায় নির্বাচনী পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে নির্বাচন ঘিরে সংঘাত ও সহিংসতার ঝুঁকি রয়েছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, অস্ত্র ও পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার প্রবণতাকে সম্ভাব্য সহিংসতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে উত্তেজনা, হুমকি ও সংঘাতের ঘটনাও ঘটছে।
গোয়েন্দা বিশ্লেষণে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা ও লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, যশোর ও মাগুরায় পুরোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধ থেকে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও বাঁশখালী এবং পার্বত্যাঞ্চলের সীমান্তবর্তী ইউনিয়নগুলোতেও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঝুঁকি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া এবং নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কাও করছেন ভোটাররা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পছন্দের প্রার্থী এবং স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীর মধ্যে সমন্বয় করতে না পারলে দলগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধ বাড়তে পারে। অনেক এলাকায় একই পদে একাধিক প্রভাবশালী নেতা প্রার্থী হতে আগ্রহী। দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাদের পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক শক্তির নেতারাও নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছেন।
জাতীয় পর্যায়ে জোটের আসন সমঝোতার কারণে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীরা মনোনয়নবঞ্চিত হলে তাদের স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিদ্রোহ ঠেকাতে আলোচনা ও সাংগঠনিক উদ্যোগ নিলেও সব এলাকায় বিরোধ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
এদিকে বিএনপি এককভাবে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় একই পদে একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাচনী সমঝোতার সম্ভাবনা খোলা রাখলেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে অংশ নিয়ে তৃণমূলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চায়।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে পুলিশের পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সহায়তা দেবে পুলিশ। কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় বিবেচনা না করে সহিংসতার চেষ্টা হলে নিরপেক্ষভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, অস্ত্র ও পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার প্রবণতাকে সম্ভাব্য সহিংসতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে উত্তেজনা, হুমকি ও সংঘাতের ঘটনাও ঘটছে।
গোয়েন্দা বিশ্লেষণে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা ও লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, যশোর ও মাগুরায় পুরোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধ থেকে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও বাঁশখালী এবং পার্বত্যাঞ্চলের সীমান্তবর্তী ইউনিয়নগুলোতেও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঝুঁকি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া এবং নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও কেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের আশঙ্কাও করছেন ভোটাররা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পছন্দের প্রার্থী এবং স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীর মধ্যে সমন্বয় করতে না পারলে দলগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধ বাড়তে পারে। অনেক এলাকায় একই পদে একাধিক প্রভাবশালী নেতা প্রার্থী হতে আগ্রহী। দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাদের পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক শক্তির নেতারাও নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছেন।
জাতীয় পর্যায়ে জোটের আসন সমঝোতার কারণে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীরা মনোনয়নবঞ্চিত হলে তাদের স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিদ্রোহ ঠেকাতে আলোচনা ও সাংগঠনিক উদ্যোগ নিলেও সব এলাকায় বিরোধ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
এদিকে বিএনপি এককভাবে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় একই পদে একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্বাচনী সমঝোতার সম্ভাবনা খোলা রাখলেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে অংশ নিয়ে তৃণমূলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চায়।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে পুলিশের পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সহায়তা দেবে পুলিশ। কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় বিবেচনা না করে সহিংসতার চেষ্টা হলে নিরপেক্ষভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।