একটি ‘গুপ্ত দল’ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত পতিত আওয়ামী লীগ যৌথভাবে চক্রান্ত ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘পরাজিত শক্তি ও ওই দলের আচরণ এবং কথাবার্তায় মিল রয়েছে। অতীতের মতো এখনো তারা বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’ ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ শেষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছিল একটি অপপ্রচারকারী দল। তাদের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে আরেকটি গুপ্ত দল। প্রমাণ আছে, তাদের মধ্যে এক ধরনের সম্পর্ক রয়েছে। তারা নিজেরাই বলেছিল, আওয়ামী লীগকে মাফ করে দেবে। সুতরাং যার যে প্রমাণ থাকার কথা, তা আছে। পরাজিত শক্তির আচরণ এবং এই দলটির আচরণ একই রকম।’
বিএনপির বিরুদ্ধে অতীতে চালানো বিভিন্ন অপপ্রচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আগে প্রচার করা হতো, বিএনপি একটি জঙ্গি রাজনৈতিক দল এবং বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে অন্য ধর্মের মানুষ নিরাপদ থাকবেন না। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রমাণ করেছে, সরকার সতর্ক থাকলে কোনো চক্রান্তকারী তাদের নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দিনরাত কাজ করে প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। গত ১৭-১৮ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীরাও পূজার সুষ্ঠু পরিবেশের প্রশংসা করেছেন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে রিজভী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার ও বিএনপির পক্ষ থেকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খ্যাতনামা চিকিৎসকদের পরামর্শে তৈরি সচেতনতামূলক লিফলেট সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এসব লিফলেট ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও আক্রান্ত ব্যক্তির করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেবে এবং অনেকটা ব্যবস্থাপত্রের (প্রেসক্রিপশন) মতো কাজ করবে।
তিনি জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিরা যাতে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পান, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরকারের অর্থনৈতিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দেয়, তা নিষ্ঠার সঙ্গে বাস্তবায়ন করে।
অর্থনীতিবিদদের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, সরকার প্রবর্তিত ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ড বিতরণের মাধ্যমে চলতি বছরেই দেশে দারিদ্র্যের হার আরও ৫ শতাংশ কমে যাবে। এটাই তারেক রহমানের সরকারের বড় অর্জন।’
লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে আরও ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।
ঠিকানা/এএস
রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছিল একটি অপপ্রচারকারী দল। তাদের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে আরেকটি গুপ্ত দল। প্রমাণ আছে, তাদের মধ্যে এক ধরনের সম্পর্ক রয়েছে। তারা নিজেরাই বলেছিল, আওয়ামী লীগকে মাফ করে দেবে। সুতরাং যার যে প্রমাণ থাকার কথা, তা আছে। পরাজিত শক্তির আচরণ এবং এই দলটির আচরণ একই রকম।’
বিএনপির বিরুদ্ধে অতীতে চালানো বিভিন্ন অপপ্রচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আগে প্রচার করা হতো, বিএনপি একটি জঙ্গি রাজনৈতিক দল এবং বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে অন্য ধর্মের মানুষ নিরাপদ থাকবেন না। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রমাণ করেছে, সরকার সতর্ক থাকলে কোনো চক্রান্তকারী তাদের নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দিনরাত কাজ করে প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। গত ১৭-১৮ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীরাও পূজার সুষ্ঠু পরিবেশের প্রশংসা করেছেন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে রিজভী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার ও বিএনপির পক্ষ থেকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খ্যাতনামা চিকিৎসকদের পরামর্শে তৈরি সচেতনতামূলক লিফলেট সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এসব লিফলেট ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও আক্রান্ত ব্যক্তির করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেবে এবং অনেকটা ব্যবস্থাপত্রের (প্রেসক্রিপশন) মতো কাজ করবে।
তিনি জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিরা যাতে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পান, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরকারের অর্থনৈতিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দেয়, তা নিষ্ঠার সঙ্গে বাস্তবায়ন করে।
অর্থনীতিবিদদের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, সরকার প্রবর্তিত ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ড বিতরণের মাধ্যমে চলতি বছরেই দেশে দারিদ্র্যের হার আরও ৫ শতাংশ কমে যাবে। এটাই তারেক রহমানের সরকারের বড় অর্জন।’
লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে আরও ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।
ঠিকানা/এএস