যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতি, নীতিনির্ধারণ ও জনসেবায় বাংলাদেশি আমেরিকান নতুন প্রজন্মের অগ্রযাত্রায় যুক্ত হলো আরও একটি গৌরবময় অর্জন। নিউইয়র্কের প্রভাবশালী রাজনৈতিক সাময়িকী ‘সিটি অ্যান্ড স্টেট নিউইয়র্ক’ প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘এনওয়াইসি ৪০ আন্ডার ৪০’ সম্মাননা তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশি আমেরিকান তরুণ জেমি কাজী। গত ১৩ অক্টোবর নিউইয়র্কের রাজনীতি, জননীতি ও সামাজিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ৪০ বছরের কম বয়সী ৪০ জন সম্ভাবনাময় ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
নিউইয়র্কের কুইন্সে বেড়ে ওঠা জেমি কাজী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠন ৩২বিজে এসইআইইউ-এর রাজ্য ও ফেডারেল রাজনৈতিক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ, নির্বাচনে প্রার্থী সমর্থন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভবন রক্ষণাবেক্ষণকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী ও বিমানবন্দর কর্মীসহ হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তিনি। সিটি অ্যান্ড স্টেটের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছর নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জেসিকা গঞ্জালেজ-রোহাসের সফল নির্বাচনী প্রচারণায় বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সম্মিলিত রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করেন জেমি।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে জেমি কাজীর অভিজ্ঞতার পরিধি বেশ বিস্তৃত। শ্রমিক সংগঠনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল এবং নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য ডেভিড ওয়েপ্রিন ও ক্যাটালিনা ক্রুজের সঙ্গে কাজ করেছেন। ক্যাটালিনা ক্রুজের কার্যালয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং আইন ও বাজেটবিষয়ক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘ক্লিন স্লেট অ্যাক্ট’ ও ‘ওয়েজ থেফট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট’ নামের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এ ছাড়া তিনি কুইন্সের অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর ডেমোক্র্যাটিক স্টেট কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক দর্শনের বিষয়ে সিটি অ্যান্ড স্টেটকে দেওয়া বক্তব্যে জেমি কাজী বলেন, “মানুষের অভিন্ন অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ যখন সম্মিলিত কণ্ঠে রূপ নেয়, তখনই অর্থবহ পরিবর্তন সম্ভব হয়। আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই সেই সম্মিলিত শক্তিকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তনে রূপ দেওয়া যায়।” তিনি বিশ্বাস করেন, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের মাধ্যমেই অভিবাসী সমাজ মূলধারায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।
উল্লেখ্য, এই অর্জন উদ্যাপনে গত ১৫ অক্টোবর ম্যানহাটনের ‘দ্য অ্যাডিসনে’ ২০২৬ সালের ‘এনওয়াইসি ৪০ আন্ডার ৪০’ সম্মাননাপ্রাপ্তদের নিয়ে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেমি কাজীর এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ প্রজন্মের জন্য মূলধারার নীতিনির্ধারণী রাজনীতিতে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
নিউইয়র্কের কুইন্সে বেড়ে ওঠা জেমি কাজী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠন ৩২বিজে এসইআইইউ-এর রাজ্য ও ফেডারেল রাজনৈতিক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ, নির্বাচনে প্রার্থী সমর্থন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ভবন রক্ষণাবেক্ষণকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী ও বিমানবন্দর কর্মীসহ হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তিনি। সিটি অ্যান্ড স্টেটের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছর নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জেসিকা গঞ্জালেজ-রোহাসের সফল নির্বাচনী প্রচারণায় বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সম্মিলিত রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করেন জেমি।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে জেমি কাজীর অভিজ্ঞতার পরিধি বেশ বিস্তৃত। শ্রমিক সংগঠনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল এবং নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য ডেভিড ওয়েপ্রিন ও ক্যাটালিনা ক্রুজের সঙ্গে কাজ করেছেন। ক্যাটালিনা ক্রুজের কার্যালয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং আইন ও বাজেটবিষয়ক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘ক্লিন স্লেট অ্যাক্ট’ ও ‘ওয়েজ থেফট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট’ নামের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এ ছাড়া তিনি কুইন্সের অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর ডেমোক্র্যাটিক স্টেট কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক দর্শনের বিষয়ে সিটি অ্যান্ড স্টেটকে দেওয়া বক্তব্যে জেমি কাজী বলেন, “মানুষের অভিন্ন অভিজ্ঞতা ও মূল্যবোধ যখন সম্মিলিত কণ্ঠে রূপ নেয়, তখনই অর্থবহ পরিবর্তন সম্ভব হয়। আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই সেই সম্মিলিত শক্তিকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তনে রূপ দেওয়া যায়।” তিনি বিশ্বাস করেন, বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের মাধ্যমেই অভিবাসী সমাজ মূলধারায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।
উল্লেখ্য, এই অর্জন উদ্যাপনে গত ১৫ অক্টোবর ম্যানহাটনের ‘দ্য অ্যাডিসনে’ ২০২৬ সালের ‘এনওয়াইসি ৪০ আন্ডার ৪০’ সম্মাননাপ্রাপ্তদের নিয়ে এক জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেমি কাজীর এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ প্রজন্মের জন্য মূলধারার নীতিনির্ধারণী রাজনীতিতে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।