ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপরাধের জবাবদিহিতা এড়ানো বা বিলম্বিত করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, পলিসি ও ক্যাম্পেইন বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর এরিকা গুয়েভারা রোসাস এই হুঁশিয়ারি বার্তা উচ্চারণ করেন। খবর আল জাজিরার।
বার্তায় এরিকা গুয়েভারা রোসাস বলেন, ইসরায়েল যখন নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, বিশ্ববাসী তখন মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না। নির্বাচন ফিলিস্তিনিদের মুখোমুখি হওয়া বাস্তবতাকে মুছে ফেলতে পারে না- যার মধ্যে রয়েছে গাজায় গণহত্যা, বর্ণবাদ, অবৈধ দখলদারিত্ব, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও জাতিগত নিধন।
রোসাস আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে বসবাসকারী লাখ লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিকের এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কোনো অধিকার নেই, অথচ এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোই তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশ্ব নেতাদের আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি মনোযোগী থাকার আহ্বান জানান অ্যামনেস্টির এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
গুয়েভারা রোসাস বলেন, রাজনৈতিক রূপান্তর বা ক্ষমতার পরিবর্তন যেন কোনোভাবেই অপরাধের জবাবদিহিতা থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণ না হয়। ফিলিস্তিনে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা, আন্তর্জাতিক আইন পুনরুদ্ধার করা এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের যেকোনো নতুন সরকারের ওপর বিশ্ব সম্প্রদায়কে চাপ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ঠিকানা/এএস
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, পলিসি ও ক্যাম্পেইন বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর এরিকা গুয়েভারা রোসাস এই হুঁশিয়ারি বার্তা উচ্চারণ করেন। খবর আল জাজিরার।
বার্তায় এরিকা গুয়েভারা রোসাস বলেন, ইসরায়েল যখন নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, বিশ্ববাসী তখন মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না। নির্বাচন ফিলিস্তিনিদের মুখোমুখি হওয়া বাস্তবতাকে মুছে ফেলতে পারে না- যার মধ্যে রয়েছে গাজায় গণহত্যা, বর্ণবাদ, অবৈধ দখলদারিত্ব, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও জাতিগত নিধন।
রোসাস আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে বসবাসকারী লাখ লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিকের এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কোনো অধিকার নেই, অথচ এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোই তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশ্ব নেতাদের আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি মনোযোগী থাকার আহ্বান জানান অ্যামনেস্টির এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
গুয়েভারা রোসাস বলেন, রাজনৈতিক রূপান্তর বা ক্ষমতার পরিবর্তন যেন কোনোভাবেই অপরাধের জবাবদিহিতা থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণ না হয়। ফিলিস্তিনে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা, আন্তর্জাতিক আইন পুনরুদ্ধার করা এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের যেকোনো নতুন সরকারের ওপর বিশ্ব সম্প্রদায়কে চাপ আরও বৃদ্ধি করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ঠিকানা/এএস