ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ সামরিক উপায়ে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ। একই সঙ্গে এই সংঘাতের কারণে গত আট মাসে ইউরোপের জ্বালানি ব্যয় ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় ৩০ অক্টোবর (শুক্রবার) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্জ বলেন, সংঘাতের অবসান ঘটাতে জার্মানি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সমন্বয় ও জোরদার করছে।
তিনি বলেন, ‘জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এই সংঘাতের কারণে ইউরোপের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি ব্যয় করতে হয়েছে।’
মার্জ আরও বলেন, ‘তাই যত দ্রুত সম্ভব এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর ক্ষেত্রে আমাদের অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে।’
যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, ‘এই সংঘাত সামরিকভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়।’
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব ইউরোপের জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। জ্বালানির বাড়তি দাম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার এবং জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে জার্মানি। সূত্র: আলজাজিরা
ঠিকানা/এএস
স্থানীয় সময় ৩০ অক্টোবর (শুক্রবার) দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্জ বলেন, সংঘাতের অবসান ঘটাতে জার্মানি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সমন্বয় ও জোরদার করছে।
তিনি বলেন, ‘জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এই সংঘাতের কারণে ইউরোপের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি ব্যয় করতে হয়েছে।’
মার্জ আরও বলেন, ‘তাই যত দ্রুত সম্ভব এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর ক্ষেত্রে আমাদের অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে।’
যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, ‘এই সংঘাত সামরিকভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়।’
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব ইউরোপের জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। জ্বালানির বাড়তি দাম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার এবং জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে জার্মানি। সূত্র: আলজাজিরা
ঠিকানা/এএস