প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান বলেছেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনের সময় ভাঙচুরের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করেছে শ্রমিক পরিচয়ধারী আওয়ামী দুর্বৃত্তরা। ৩ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ১২টার দিকে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখে, গত ২ অক্টোবর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মির্জাপুরে নোমান টেরি টাওয়েল লি. এর সামনের সড়কে নোমান টেরি টাওয়েল লি. ও তালহা ফেব্রিকস লি. এর শ্রমিকরা ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে কারখানা থেকে বের হয়ে এসে আন্দোলন করতে থাকে।
এসময় শ্রমিক পরিচয়ধারী অনেকে সহিংস হয়ে ওঠে। কেউ কেউ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের গেট ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ভাঙার জন্য উচ্ছৃঙ্খলা প্রদর্শন করে। এসময় তৌফিক সেটির ভিডিও ধারণ করতে গেলে শ্রমিক পরিচয়ধারী দুর্বৃত্তরা তাকে ব্যাপক মারধর করে।
এতে সে মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তখন গুরুতর আহত অবস্থায় কে বা কারা তাকে সেখান থেকে নিয়ে এসে ঢাকার উত্তরাস্থ শিন শিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ৮টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি লেখেন, শ্রমিক আন্দোলন যে আর শ্রমিকদের মধ্যে নেই তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনা সেটির প্রমাণ করে।
দেশকে অশান্ত করতে আওয়ামী দুর্বৃত্তরা চক্রান্ত শুরু করেছে। শ্রমিকবেশে হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে শ্রমিক বিক্ষুব্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে ও দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আরেকটি ১/১১ ঘটানোই তাদের উদ্দেশ্য। জামায়াত-এনসিপিকে বলবো, আওয়ামী দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করতে রাজপথে নামুন। তাদের পাতা ফাঁদে পা দিলে নিজেরাও যে রক্ষা পাবেন, তা কিন্তু না।
ঠিকানা/এএস
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখে, গত ২ অক্টোবর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মির্জাপুরে নোমান টেরি টাওয়েল লি. এর সামনের সড়কে নোমান টেরি টাওয়েল লি. ও তালহা ফেব্রিকস লি. এর শ্রমিকরা ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে কারখানা থেকে বের হয়ে এসে আন্দোলন করতে থাকে।
এসময় শ্রমিক পরিচয়ধারী অনেকে সহিংস হয়ে ওঠে। কেউ কেউ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের গেট ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ভাঙার জন্য উচ্ছৃঙ্খলা প্রদর্শন করে। এসময় তৌফিক সেটির ভিডিও ধারণ করতে গেলে শ্রমিক পরিচয়ধারী দুর্বৃত্তরা তাকে ব্যাপক মারধর করে।
এতে সে মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। তখন গুরুতর আহত অবস্থায় কে বা কারা তাকে সেখান থেকে নিয়ে এসে ঢাকার উত্তরাস্থ শিন শিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ৮টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি লেখেন, শ্রমিক আন্দোলন যে আর শ্রমিকদের মধ্যে নেই তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনা সেটির প্রমাণ করে।
দেশকে অশান্ত করতে আওয়ামী দুর্বৃত্তরা চক্রান্ত শুরু করেছে। শ্রমিকবেশে হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে শ্রমিক বিক্ষুব্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে ও দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আরেকটি ১/১১ ঘটানোই তাদের উদ্দেশ্য। জামায়াত-এনসিপিকে বলবো, আওয়ামী দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করতে রাজপথে নামুন। তাদের পাতা ফাঁদে পা দিলে নিজেরাও যে রক্ষা পাবেন, তা কিন্তু না।
ঠিকানা/এএস