যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সরকারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের নেতৃত্ব ও প্রতিনিধিত্বের ধারায় যুক্ত হলো আরেকটি অর্জন। মিশিগানের হ্যামট্রামিক সিটির ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন কাউন্সিল সদস্য ও মেয়র প্রটেম আবু আহমদ মুসা। মেয়র নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে নতুন মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।
গত ২ নভেম্বর সোমবার সকালে হ্যামট্রামিকের ৩১তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক অ্যালেক্সিস ক্রট নিজ চেম্বারে মুসাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় তাঁর স্ত্রী জাহিদা আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিল সদস্য মুসা এর আগে তিনবার মেয়র প্রটেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার আগেও তিনি কাউন্সিল সদস্যের পাশাপাশি মেয়র প্রটেম ছিলেন।
হ্যামট্রামিক সিটি কাউন্সিল সদস্যরা নিজেদের মধ্য থেকে মেয়র প্রটেম নির্বাচন করেন। মেয়রের অনুপস্থিতিতে তিনি মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তবে সিটিতে কাউন্সিল–ম্যানেজার পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু থাকায় দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার প্রধান দায়িত্ব সিটি ম্যানেজারের। ফলে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বকে পুরো প্রশাসনের নির্বাহী ব্যবস্থাপনার সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই।
মেয়র পদে এই অন্তর্বর্তী দায়িত্ব গ্রহণের পেছনে রয়েছে ২০২৫ সালের নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ বিরোধ। ওই নির্বাচনের পর বাদ পড়া ৩৭টি অনুপস্থিত ভোটারের ব্যালট গণনা নিয়ে আদালতে যান সাবেক কাউন্সিল সদস্য মুহিত মাহমুদ। আদালতের নির্দেশে গত ১৬ অক্টোবর ব্যালটগুলো গণনার পর তিনি পান ২ হাজার ৮৯ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডাম আলহারবি পান ২ হাজার ৭৭ ভোট। এতে বেসরকারি হিসাবে ১২ ভোটে এগিয়ে যান মাহমুদ।
এরপরও মাহমুদের হ্যামট্রামিকে বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে মামলা থাকায় ফলাফল প্রত্যয়ন আটকে ছিল। গত ৩০ অক্টোবর ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি রায় দেন, মাহমুদ নির্বাচিত পদে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসিক যোগ্যতা পূরণ করেছেন। আদালত সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে ফলাফল প্রত্যয়নের নির্দেশ দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তাঁর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাধা দূর হয়।
নির্বাচনী ফলাফলের আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়ন ও নতুন মেয়রের শপথের মধ্যবর্তী সময়ে মেয়র প্রটেম হিসেবে মুসার ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হ্যামট্রামিক রিভিউ।
মুসার এ দায়িত্ব গ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। বারবার ভোটে নির্বাচিত হয়ে কাউন্সিলে প্রতিনিধিত্ব এবং এখন ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পাওয়া—দুই ক্ষেত্রেই প্রতিফলিত হচ্ছে হ্যামট্রামিকের নাগরিক জীবনে বাংলাদেশি কমিউনিটির সক্রিয় ভূমিকা।
গত ২ নভেম্বর সোমবার সকালে হ্যামট্রামিকের ৩১তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক অ্যালেক্সিস ক্রট নিজ চেম্বারে মুসাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় তাঁর স্ত্রী জাহিদা আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিল সদস্য মুসা এর আগে তিনবার মেয়র প্রটেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার আগেও তিনি কাউন্সিল সদস্যের পাশাপাশি মেয়র প্রটেম ছিলেন।
হ্যামট্রামিক সিটি কাউন্সিল সদস্যরা নিজেদের মধ্য থেকে মেয়র প্রটেম নির্বাচন করেন। মেয়রের অনুপস্থিতিতে তিনি মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তবে সিটিতে কাউন্সিল–ম্যানেজার পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু থাকায় দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার প্রধান দায়িত্ব সিটি ম্যানেজারের। ফলে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্বকে পুরো প্রশাসনের নির্বাহী ব্যবস্থাপনার সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই।
মেয়র পদে এই অন্তর্বর্তী দায়িত্ব গ্রহণের পেছনে রয়েছে ২০২৫ সালের নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ বিরোধ। ওই নির্বাচনের পর বাদ পড়া ৩৭টি অনুপস্থিত ভোটারের ব্যালট গণনা নিয়ে আদালতে যান সাবেক কাউন্সিল সদস্য মুহিত মাহমুদ। আদালতের নির্দেশে গত ১৬ অক্টোবর ব্যালটগুলো গণনার পর তিনি পান ২ হাজার ৮৯ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডাম আলহারবি পান ২ হাজার ৭৭ ভোট। এতে বেসরকারি হিসাবে ১২ ভোটে এগিয়ে যান মাহমুদ।
এরপরও মাহমুদের হ্যামট্রামিকে বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে মামলা থাকায় ফলাফল প্রত্যয়ন আটকে ছিল। গত ৩০ অক্টোবর ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি রায় দেন, মাহমুদ নির্বাচিত পদে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসিক যোগ্যতা পূরণ করেছেন। আদালত সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে ফলাফল প্রত্যয়নের নির্দেশ দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তাঁর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাধা দূর হয়।
নির্বাচনী ফলাফলের আনুষ্ঠানিক প্রত্যয়ন ও নতুন মেয়রের শপথের মধ্যবর্তী সময়ে মেয়র প্রটেম হিসেবে মুসার ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হ্যামট্রামিক রিভিউ।
মুসার এ দায়িত্ব গ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। বারবার ভোটে নির্বাচিত হয়ে কাউন্সিলে প্রতিনিধিত্ব এবং এখন ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পাওয়া—দুই ক্ষেত্রেই প্রতিফলিত হচ্ছে হ্যামট্রামিকের নাগরিক জীবনে বাংলাদেশি কমিউনিটির সক্রিয় ভূমিকা।