দীর্ঘদিনের সংঘাত ও স্থবিরতার পর যুদ্ধ বিরতিতে পৌঁছাতে দৌড়ঝাঁপ করছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো। এরমধ্যে ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে- যুদ্ধের শুরুর তুলনায় তারা এখন আরও বেশি ‘শক্তিশালী’। খবর আল জাজিরার।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় তিনি ১২টি দেশের (যার মধ্যে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, ওমান, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সাইপ্রাস, ইউএই, কুয়েত, তিউনিসিয়া ও ইরাক রয়েছে) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দেন।
ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান
ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন যুদ্ধের সূচনালগ্নের চেয়েও উচ্চ সতর্কতায় ও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এ ছাড়া আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মোহেব্বি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর কাজ নিয়মিত গতিতেই এগিয়ে চলেছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গত শুক্রবার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির ফোনালাপ হয়েছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি মার্কিন প্রশাসনের ‘পরিস্থিতি শান্ত করার আন্তরিক সদিচ্ছার’ প্রশংসা করেন।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, আট মাসের যুদ্ধে ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক খাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও তারা একটি চুক্তি করতে গভীরভাবে আগ্রহী।
হরমুজ প্রণালিতে মাইনে জাহাজে আগুন ও কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল প্রণালির সব মাইন অপসারণ করা হয়েছে; কিন্তু ইরানি সেনাবাহিনী জানায়, মাইনের আঘাতে এক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আগুন ধরে সেটি অচল হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি কৌশলগত কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত ও জোড়া বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে ইরানি সেনাসূত্র দাবি করে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বীপের ওপর উড্ডয়নরত একটি মার্কিন ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে।
মার্কিন সরকারের ২ কোটি ডলার পুরস্কারের ঘোষণা
মার্কিন সেন্টকম থেকে জানানো হয়, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী বা কর্মীদের তথ্যের বিনিময়ে ২০ মিলিয়ন ডলার ও নতুন জায়গায় পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের পরাজয়ের পর দুই পক্ষই প্রতিপক্ষের দুর্বলতাকে সুযোগ হিসেবে দেখছে, যা চুক্তি সইয়ের পথকে জটিল করে তুলেছে।
ঠিকানা/এএস
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় তিনি ১২টি দেশের (যার মধ্যে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, ওমান, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সাইপ্রাস, ইউএই, কুয়েত, তিউনিসিয়া ও ইরাক রয়েছে) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দেন।
ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান
ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন যুদ্ধের সূচনালগ্নের চেয়েও উচ্চ সতর্কতায় ও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এ ছাড়া আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মোহেব্বি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর কাজ নিয়মিত গতিতেই এগিয়ে চলেছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গত শুক্রবার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির ফোনালাপ হয়েছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি মার্কিন প্রশাসনের ‘পরিস্থিতি শান্ত করার আন্তরিক সদিচ্ছার’ প্রশংসা করেন।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, আট মাসের যুদ্ধে ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক খাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও তারা একটি চুক্তি করতে গভীরভাবে আগ্রহী।
হরমুজ প্রণালিতে মাইনে জাহাজে আগুন ও কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল প্রণালির সব মাইন অপসারণ করা হয়েছে; কিন্তু ইরানি সেনাবাহিনী জানায়, মাইনের আঘাতে এক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আগুন ধরে সেটি অচল হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি কৌশলগত কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত ও জোড়া বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে ইরানি সেনাসূত্র দাবি করে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বীপের ওপর উড্ডয়নরত একটি মার্কিন ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে।
মার্কিন সরকারের ২ কোটি ডলার পুরস্কারের ঘোষণা
মার্কিন সেন্টকম থেকে জানানো হয়, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী বা কর্মীদের তথ্যের বিনিময়ে ২০ মিলিয়ন ডলার ও নতুন জায়গায় পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের পরাজয়ের পর দুই পক্ষই প্রতিপক্ষের দুর্বলতাকে সুযোগ হিসেবে দেখছে, যা চুক্তি সইয়ের পথকে জটিল করে তুলেছে।
ঠিকানা/এএস