পোল্যান্ডের ক্রাকো শহরের ব্যস্ত পর্যটন এলাকায় বন্দুকধারীর হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৬ জন। পরে সন্দেহভাজনের বাড়ি থেকে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলাকারী উগ্র ডানপন্থী মতাদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলেন বলে ধারণা করছে দেশটির পুলিশ। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ৩টার কিছু আগে শহরের ঐতিহাসিক মেইন মার্কেট স্কয়ারে এ হামলা হয়। পুলিশ জানায়, সামরিক কায়দার পোশাক ও অস্ত্র নিয়ে একটি গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছে এলোপাতাড়ি গুলি চালান হামলাকারী। প্রায় তিন মিনিট ধরে চলে হামলা। এতে চার নারী ও দুই পুরুষ নিহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন পোলিশ, একজন ব্রিটিশ। বাকি দুজনের পরিচয় জানা যায়নি।
আহত ১৬ জনের মধ্যে অস্ট্রিয়া, জার্মানি, পর্তুগাল, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যও আছেন। তাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হামলার পর পুলিশ ধাওয়া করে সন্দেহভাজনের গাড়িটি থামায়। পরে গোলাগুলির একপর্যায়ে তাকে আটক করা হয়। ২৫ বছর বয়সী ওই পোলিশ নাগরিক অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানান, সন্দেহভাজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আরও তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুই নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন। তারা হামলাকারীর পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মারচিন কিয়েরভিনস্কি বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন উগ্র জাতীয়তাবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। তার গাড়ি থেকে আরও অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তিনি পোলিশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ছিলেন না।
প্রধানমন্ত্রী টাস্ক হামলাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, হামলাকারীর সম্ভাব্য সহযোগীদেরও শনাক্ত করে আটক করা হবে। এ ঘটনায় ক্রাকোতে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানী ওয়ারশসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
হামলার ঘটনায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম শোক প্রকাশ করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসও ঘটনাটিকে পোল্যান্ডের বাইরেও অনুভূত হবে এমন এক ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুলির শব্দে পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালাতে থাকেন। গুলিতে দোকানের কাচ ভেঙে যায় এবং একটি ট্রামেও হামলা হয়।
ঠিকানা/এসআর
স্থানীয় সময় শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ৩টার কিছু আগে শহরের ঐতিহাসিক মেইন মার্কেট স্কয়ারে এ হামলা হয়। পুলিশ জানায়, সামরিক কায়দার পোশাক ও অস্ত্র নিয়ে একটি গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছে এলোপাতাড়ি গুলি চালান হামলাকারী। প্রায় তিন মিনিট ধরে চলে হামলা। এতে চার নারী ও দুই পুরুষ নিহত হন। তাদের মধ্যে তিনজন পোলিশ, একজন ব্রিটিশ। বাকি দুজনের পরিচয় জানা যায়নি।
আহত ১৬ জনের মধ্যে অস্ট্রিয়া, জার্মানি, পর্তুগাল, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যও আছেন। তাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হামলার পর পুলিশ ধাওয়া করে সন্দেহভাজনের গাড়িটি থামায়। পরে গোলাগুলির একপর্যায়ে তাকে আটক করা হয়। ২৫ বছর বয়সী ওই পোলিশ নাগরিক অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক জানান, সন্দেহভাজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আরও তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুই নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন। তারা হামলাকারীর পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মারচিন কিয়েরভিনস্কি বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন উগ্র জাতীয়তাবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। তার গাড়ি থেকে আরও অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তিনি পোলিশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ছিলেন না।
প্রধানমন্ত্রী টাস্ক হামলাটিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, হামলাকারীর সম্ভাব্য সহযোগীদেরও শনাক্ত করে আটক করা হবে। এ ঘটনায় ক্রাকোতে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানী ওয়ারশসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
হামলার ঘটনায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম শোক প্রকাশ করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসও ঘটনাটিকে পোল্যান্ডের বাইরেও অনুভূত হবে এমন এক ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুলির শব্দে পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালাতে থাকেন। গুলিতে দোকানের কাচ ভেঙে যায় এবং একটি ট্রামেও হামলা হয়।
ঠিকানা/এসআর