বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। সপ্তাহ দুয়েক সময় ধরে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। মৃত্যকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
গতকাল রোববার শিল্পীর স্ত্রী মেরী মনোয়ার একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁর ফুসফুসে মারাত্মকভাবে ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত।
নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। এ প্রসঙ্গে চিত্রশিল্পীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে মেরী মনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘১৪ জুন ওঁনাকে (মুস্তাফা মনোয়ার) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওঁনার প্রেসার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন। গত চারদিন ধরে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।’
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও সম্প্রতি নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অনন্য নাম। আর্ট কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। টেলিভিশনে শিশু-কিশোরদের জন্য অসংখ্য অনুষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। বাংলাদেশে পাপেট শোয়ের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁকে।
সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৪ সালে একুশে পদক এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে ‘সুলতান স্বর্ণপদক’ লাভ করেন মুস্তাফা মনোয়ার।
১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তাঁর বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা এবং মায়ের নাম জমিলা খাতুন।
ঠিকানা/এসআর
গতকাল রোববার শিল্পীর স্ত্রী মেরী মনোয়ার একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁর ফুসফুসে মারাত্মকভাবে ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত।
নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। এ প্রসঙ্গে চিত্রশিল্পীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে মেরী মনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘১৪ জুন ওঁনাকে (মুস্তাফা মনোয়ার) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওঁনার প্রেসার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন। গত চারদিন ধরে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।’
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও সম্প্রতি নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অনন্য নাম। আর্ট কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। টেলিভিশনে শিশু-কিশোরদের জন্য অসংখ্য অনুষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। বাংলাদেশে পাপেট শোয়ের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁকে।
সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৪ সালে একুশে পদক এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে ‘সুলতান স্বর্ণপদক’ লাভ করেন মুস্তাফা মনোয়ার।
১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তাঁর বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা এবং মায়ের নাম জমিলা খাতুন।
ঠিকানা/এসআর