অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বন্ধ থাকা পর্যটন ভিসা ভারত সম্প্রতি আবার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। ভিসা পেতে বাংলাদেশিরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে আবার রেল যোগাযোগ সচল হওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে এমন যোগাযোগ মন্দ কিছু নয়। কিন্তু ভারত যে সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণ করে না, এটাও মাথায় রাখতে হবে। এসব কথা বলেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী।
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা ভারত আমাদের দেয় না। সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়নি। সম্প্রতি আবার যুক্ত হয়েছে পুশ-ইন সমস্যা। অন্যদিকে ভারত কিন্তু জুলাই আন্দোলন নিয়ে আওয়ামী লীগের সুরেই কথা বলে। এভাবে সুপ্রতিবেশীসুলভ ভূমিকা থেকে দূরে থাকছে তারা।’
২ জুলাই বৃহস্পতিবার এই আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন ভয়েজ বাংলার সম্পাদক মোস্তফা ফিরোজ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও কূটনীতির সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমে মালয়েশিয়া, তারপর চীন সফর করেছেন। প্রবাসী আয় ও বিনিয়োগে গতি আনতে এটা অসাধারণ উদ্যোগ ছিল বলে মনে করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ। তিনি আরও বলছেন, ‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের কারণে এটা উন্মুক্ত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়ই অগ্রগতি আসবে।’
‘অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিবেচনায় চীন সফর আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদেশে বিনিয়োগে তারাই সবচেয়ে এগিয়ে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তির কারণে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কি না, সেটাই দেখার বিষয়। চুক্তিটিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের সুযোগ থাকার কথা বলছেন অনেকেই’- যোগ করেন রাজনৈতিক ভাষ্যকার মোস্তফা ফিরোজ।
চব্বিশের যে জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেই ঘটনার দুই বছর পূর্ণ হলো এবার। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষ ছিল গণমানুষের সেটা কতটা পূরণ হলো? এমন প্রশ্নে ভয়েজ বাংলার সম্পাদক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ের পুরো পটপরিবর্তন জটিল করে ফেলেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। মানুষের প্রধান চাওয়া ছিল আসলে হাসিনা সরকারের পতন ও স্বচ্ছ নির্বাচন। এ ক্ষেত্রে ইউনূস সরকার যদি নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের মডেল অনুসরণ করে সবার আগে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করত, তাহলে ভালো হতো। তারপর জুলাই সনদ, সংস্কার- এসব বিষয় নির্বাচিত সরকার এসে করলে ভালো হতো। এ ছাড়া দ্রুত নির্বাচন হলে নেপালের মতোই জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের দল এনসিপি আরও ভালো ফল করতে পারত, মনে করেন তিনি।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে শেখ হাসিনার ‘দুঃশাসন’ ভুলে গেলে চলবে না, মন্তব্য করেন সিনিয়র সাংবাদিক জাহেদ চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সময়ের অন্যায়-অত্যাচার, গুম-খুন যাতে চাপা পড়ে না যায়, সেটা সকলকে মনে রাখতে হবে। এগুলোর বিচারও হতে হবে।
‘দেশে এখন গুম-খুনের ঘটনা নেই। হেফাজতে মৃত্যু নেই। এটাই জুলাই বিপ্লবের অর্জন’- টকশোতে বলেন জাহেদ চৌধুরী।
ঠিকানা/এনআই
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা ভারত আমাদের দেয় না। সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়নি। সম্প্রতি আবার যুক্ত হয়েছে পুশ-ইন সমস্যা। অন্যদিকে ভারত কিন্তু জুলাই আন্দোলন নিয়ে আওয়ামী লীগের সুরেই কথা বলে। এভাবে সুপ্রতিবেশীসুলভ ভূমিকা থেকে দূরে থাকছে তারা।’
২ জুলাই বৃহস্পতিবার এই আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন ভয়েজ বাংলার সম্পাদক মোস্তফা ফিরোজ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও কূটনীতির সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমে মালয়েশিয়া, তারপর চীন সফর করেছেন। প্রবাসী আয় ও বিনিয়োগে গতি আনতে এটা অসাধারণ উদ্যোগ ছিল বলে মনে করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ। তিনি আরও বলছেন, ‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের কারণে এটা উন্মুক্ত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়ই অগ্রগতি আসবে।’
‘অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিবেচনায় চীন সফর আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদেশে বিনিয়োগে তারাই সবচেয়ে এগিয়ে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তির কারণে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কি না, সেটাই দেখার বিষয়। চুক্তিটিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের সুযোগ থাকার কথা বলছেন অনেকেই’- যোগ করেন রাজনৈতিক ভাষ্যকার মোস্তফা ফিরোজ।
চব্বিশের যে জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেই ঘটনার দুই বছর পূর্ণ হলো এবার। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষ ছিল গণমানুষের সেটা কতটা পূরণ হলো? এমন প্রশ্নে ভয়েজ বাংলার সম্পাদক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ের পুরো পটপরিবর্তন জটিল করে ফেলেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। মানুষের প্রধান চাওয়া ছিল আসলে হাসিনা সরকারের পতন ও স্বচ্ছ নির্বাচন। এ ক্ষেত্রে ইউনূস সরকার যদি নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের মডেল অনুসরণ করে সবার আগে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করত, তাহলে ভালো হতো। তারপর জুলাই সনদ, সংস্কার- এসব বিষয় নির্বাচিত সরকার এসে করলে ভালো হতো। এ ছাড়া দ্রুত নির্বাচন হলে নেপালের মতোই জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের দল এনসিপি আরও ভালো ফল করতে পারত, মনে করেন তিনি।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে শেখ হাসিনার ‘দুঃশাসন’ ভুলে গেলে চলবে না, মন্তব্য করেন সিনিয়র সাংবাদিক জাহেদ চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সময়ের অন্যায়-অত্যাচার, গুম-খুন যাতে চাপা পড়ে না যায়, সেটা সকলকে মনে রাখতে হবে। এগুলোর বিচারও হতে হবে।
‘দেশে এখন গুম-খুনের ঘটনা নেই। হেফাজতে মৃত্যু নেই। এটাই জুলাই বিপ্লবের অর্জন’- টকশোতে বলেন জাহেদ চৌধুরী।
ঠিকানা/এনআই