পূর্ব ইউরোপের দেশ মলদোভায় বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলেকসান্দ্রু মুনটেনু হঠাৎ পদত্যাগ করেছেন, যার ফলে তার মন্ত্রিসভাও ভেঙে গেছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ৬২ বছর বয়সী মুনটেনু জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় তিনি পরিবর্তনের আশা নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তবে এখন তিনি মনে করছেন, নিজের নীতি ও বিশ্বাস অনুযায়ী আর দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়, এ কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মলদোভার প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দু তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন এবং একে দেশের জন্য 'জটিল সময়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মুনটেনুর নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
তবে প্রেসিডেন্ট সান্দু বলেন, তিনি আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনগণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রত্যাশা করেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাজে কোনো বাধা ছিল এমন দাবি সঠিক নয়।
মুনটেনুর কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, তিনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন৷ তাকে তা করতে দেওয়া হয়নি—এমন জল্পনা মিথ্যা৷ সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নিজের বিবেচনা অনুযায়ী কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিলেন।
তিনি জানান, খুব দ্রুতই নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হতে পারে৷ তার আগে বিভিন্ন সংসদীয় দলের সঙ্গে আলোচনার সময় পর্যন্ত মুনটেনু অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ঠিকানা/এনআই
শুক্রবার (৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ৬২ বছর বয়সী মুনটেনু জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় তিনি পরিবর্তনের আশা নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তবে এখন তিনি মনে করছেন, নিজের নীতি ও বিশ্বাস অনুযায়ী আর দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়, এ কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মলদোভার প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দু তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন এবং একে দেশের জন্য 'জটিল সময়' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মুনটেনুর নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
তবে প্রেসিডেন্ট সান্দু বলেন, তিনি আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনগণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রত্যাশা করেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাজে কোনো বাধা ছিল এমন দাবি সঠিক নয়।
মুনটেনুর কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, তিনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন৷ তাকে তা করতে দেওয়া হয়নি—এমন জল্পনা মিথ্যা৷ সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নিজের বিবেচনা অনুযায়ী কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছিলেন।
তিনি জানান, খুব দ্রুতই নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হতে পারে৷ তার আগে বিভিন্ন সংসদীয় দলের সঙ্গে আলোচনার সময় পর্যন্ত মুনটেনু অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ঠিকানা/এনআই