নিউইয়র্কে সংবর্ধনায় শওকতুল ইসলাম এমপি
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু বলেছেন, নির্বাচনের আগে কুলাউড়াবাসীর কাছে উন্নয়নের যে অঙ্গীকার করেছিলাম, পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাবেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, খেলাধুলা ও আইনশৃঙ্খলাসহ কুলাউড়ার সামগ্রিক উন্নয়নে দেশে-বিদেশে অবস্থানরত কুলাউড়াবাসীর প্রত্যাশাকেও গুরুত্ব দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
নিউইয়র্ক : কুলাউড়া বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবর্ধনা সভা মঞ্চে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, সাবেক এমপি এম এম শাহীন-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে গত ৪ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের কুইন্স প্যালেসে কুলাউড়া বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ আয়োজিত সার্বজনীন সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘আধুনিক কুলাউড়া বিনির্মাণে’ সাত দফা দাবি সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা ও ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন, দক্ষিণাঞ্চলে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি, কালাপাহাড়-রাবার বাগান-হাকালুকি হাওরকে ঘিরে পর্যটন উন্নয়ন, শহরের যানজট নিরসনে কুলাউড়ার উন্নয়নে বাইপাস সড়ক, আধুনিক খেলার মাঠ ও স্টেডিয়াম এবং শিশুদের জন্য আধুনিক পার্ক নির্মাণ।
নিউইয়র্ক : সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুকে ফুলেল শুভেচ্ছা।
প্রবাসীদের দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনার পর শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, কুলাউড়ার উন্নয়ন কোনো ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়; এটি কুলাউড়ার সব মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, “কুলাউড়ার মানুষের কাছে আমি যে অঙ্গীকার করেছি, তা শুধু নির্বাচনী বক্তব্য হিসেবে রেখে দিতে চাই না। বাস্তবে যতটুকু সম্ভব, একে একে সেই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়ন করাই আমার দায়িত্ব।”
তিনি আরো বলেন, কুলাউড়ার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণকে তিনি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এলাকার প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরে বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালানোর আশ্বাস দেন তিনি।
নিউইয়র্ক : সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক এমপি এম এম শাহীনসহ অন্যান্যরা।
কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্য বলেন, শুধু ভবন নির্মাণ করলেই স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন হয় না; প্রয়োজন চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা। স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো ও জনবলের ঘাটতি পর্যায়ক্রমে দূর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করার কথা জানান তিনি। উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকেও আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য সবসময় উপজেলা সদরের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে পড়ে, সেই লক্ষ্যেও পরিকল্পনা প্রয়োজন।
শিক্ষা প্রসঙ্গে শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, বর্তমান সময়ে শুধু প্রচলিত শিক্ষা নয়, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো জরুরি। নতুন প্রজন্মকে এমন শিক্ষায় প্রস্তুত করতে হবে, যা তাদের দেশে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা তৈরি করবে।
নারী শিক্ষার প্রসার এবং কুলাউড়ায় একটি সরকারি পলিটেকনিক বা কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার দাবিকেও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
কুলাউড়া শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিয়েও অনুষ্ঠানে আলোচনা হয়। প্রবাসীরা শহরের ওপর দিয়ে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ কমাতে দ্রুত বাইপাস সড়ক নির্মাণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য বলেন, কুলাউড়ার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শহরের যানজট নিরসন তার নির্বাচনী অগ্রাধিকারের মধ্যেও ছিল। বাইপাস সড়কসহ প্রয়োজনীয় যোগাযোগ অবকাঠামো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান তিনি।
শহরের পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, যানবাহন ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ জনসংখ্যার চাপ বিবেচনায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে।
হাকালুকি হাওর, কালাপাহাড়, রাবার বাগান এবং কুলাউড়ার অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের কথা উল্লেখ করে শওকতুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে পর্যটন কুলাউড়ার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, পর্যটনের উন্নয়ন শুধু দর্শনার্থী আকর্ষণের বিষয় নয়; এর সঙ্গে স্থানীয় কর্মসংস্থান, পরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তবে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে পরিকল্পিত পর্যটন উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
আধুনিক খেলার মাঠ ও পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবিকে যৌক্তিক উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, তরুণদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; তাদের জন্য বিকল্প ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ও অবকাঠামোও তৈরি করতে হবে।
নিউইয়র্ক : সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুকে ফুলেল শুভেচ্ছা।
এর আগে কুলাউড়ার এক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে শকু বলেছিলেন, “খেলাধুলাই পারে যুবসমাজকে মাদকসহ সব ধরনের খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখতে।”
আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনায় না এনে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে তার পূর্ববর্তী বক্তব্যের পুনরুল্লেখ করে বলা হয়, “মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও ছিনতাইকারীদের কোনো দল নেই।”
সংবর্ধনায় শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, কুলাউড়ার বিপুলসংখ্যক মানুষ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কুলাউড়ার জন্য বড় সম্পদ।
প্রবাসীদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন ধারণা, বিনিয়োগ এবং সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রবাসীদের উত্থাপিত সাত দফা দাবি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে তুলে ধরার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে তিনি উদ্যোগ নেবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন একই সংসদীয় আসনের সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ঠিকানা পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি এম এম শাহীন। তিনি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক মত ও পথের পার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে কুলাউড়ার উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এম এম শাহীন বলেন, কুলাউড়ার মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সংসদ সদস্য সফল হবেন, এটাই সবার কামনা হওয়া উচিত।
প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে কুলাউড়ার উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে সাবেক এমপি এম এম শাহীন বলেন, নিউইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কুলাউড়ার যে বিশাল প্রবাসী জনগোষ্ঠী রয়েছে, তাদের সঙ্গে দেশের জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলা গেলে এলাকার জন্য বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি কুলাউড়া বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনের উপস্থাপিত সাত দফাকে এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাস্তবসম্মত উন্নয়ন উদ্যোগে দলমত নির্বিশেষে সহযোগিতার আহ্বান জানান। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কুলাউড়া বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কুলাউড়া প্রবাসীদের ‘প্রাণের দাবি’ হিসেবে সাত দফা তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে- কুলাউড়ার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি আধুনিক সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা এবং উপজেলার একমাত্র মহিলা কলেজ ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজ দ্রুত সরকারিকরণের দাবি জানানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবকাঠামো, জনবল ও টেকনিশিয়ান বাড়িয়ে আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত করা এবং প্রতিটি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র আধুনিকায়নের দাবি জানানো হয়।
উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
কালাপাহাড়, রাবার বাগান ও হাকালুকি হাওরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
কুলাউড়া শহরের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন এবং শহরের সৌন্দর্য ও পরিকল্পিত সম্প্রসারণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণের দাবি জানানো হয়।
যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে একটি আধুনিক খেলার মাঠ ও পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিনোদন ও মানসিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে কুলাউড়া পৌর শহরে একটি আধুনিক শিশু পার্ক নির্মাণের দাবি জানানো হয়।
অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেন, সাত দফার পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, খেলাধুলা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে কুলাউড়া একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলায় পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে।
কুলাউড়া বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর সভাপতি সৈয়দ ইলিয়াস খসরুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মঈনুর রহমান সুয়েবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়।
সংগঠনের কার্যকরী কমিটির নেতারা ফুলের তোড়া দিয়ে সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুকে বরণ করেন। পরে অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিলু, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, প্রবীণ রাজনীতিবিদ লুৎফুর রহমান চৌধুরী হেলাল, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা ফেরদৌস চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর সভাপতি বদরুল হোসেন খান, নিউজার্সি (নর্থ) বিএনপির সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি আবু সাঈদ আহমদ, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর সাবেক সভাপতি বদরুন নাহার মিতা, অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা আবুল কালাম, ফারুক আহমদ চৌধুরী, বেদারুল ইসলাম বাবলা ও সিরাজ উদ্দিন আহমদ, কাদিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও কানাডা প্রবাসী হাবিবুর রহমান সালাম, লীগ অব আমেরিকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির চৌধুরী শাহীন এবং কবি ও সাহিত্যিক ফকির ইলিয়াস, মাওলানা সাইফুল সিদ্দিকী, কুলাউড়া বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ’র সাবেক কর্মকর্তা কয়ছর রশীদ, সেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুর খান হারুন প্রমুখ।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সেন্টার ফর এনআরবি চেয়ারম্যান সেকিল চৌধুরী, ফোবানার নেতা নাহিদ চৌধুরী মামুন, লীগ অব আমেরিকার সাধারণ সম্পাদক এমাদ আহমদ, ভাটেরা অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর উপদেষ্টা মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকী, অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন জালাল, ভুকশিমইল ওভারসিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজাউল করিম রেনু, অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কয়ছর রশিদ, ভাটেরা অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি আবদুল জব্বার সিদ্দিকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা মাজহারুল ইসলাম জনি, অ্যাসোসিয়েশনের সহসাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম মিন্টু এবং ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক অলিউর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা তজমুল আলী, মোশাহিদ জে রাশেদ ও এ এম শফি চৌধুরী, সাবেক সভাপতি শাহেদ দেলওয়ার চৌধুরী ও শাহ আলাউদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল মান্নান চৌধুরী হেশাম এবং সাবেক প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দিন লিটনসহ নিউইয়র্কে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক কুলাউড়াবাসী।
বক্তারা বলেন, কুলাউড়ার উন্নয়নে দেশে অবস্থানরত মানুষ ও প্রবাসীদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে একটি স্থায়ী যোগাযোগ ও সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও প্রবাসীদের মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় বজায় থাকলে দীর্ঘদিনের উন্নয়ন-চাহিদাগুলো শুধু দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং জাতীয় পর্যায়ে কার্যকরভাবে তুলে ধরে বাস্তবায়নের পথও তৈরি হবে।
সংবর্ধনা শেষে আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, নিউইয়র্কের এই আয়োজন কেবল একজন সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং কুলাউড়ার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রবাসীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।