এর আগে সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার। সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নলিয়ান থেকে লঞ্চঘাট হয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুরে মধ্যাহ্নবিরতির পর ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
দিনের কর্মসূচিতে রয়েছে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শন। বিকেল ৩টায় জেটি পরিদর্শনের পর সোয়া ৩টায় প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে ৩টায় অর্থনৈতিক অঞ্চলটি পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ থেকে মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকৃতি, বন্দর ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা গুরুত্ব পাচ্ছে। সফরের কর্মসূচি শেষে আজই ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনাল ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে গতি পাবে উন্নয়ন কার্যক্রম, বাড়বে বিনিয়োগ, তৈরি হবে কর্মসংস্থান।
মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, অন্যদিকে সুন্দরবন-সংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে বিকল্প কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মোংলা বন্দরের উন্নয়ন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরে বন্দরের জেটি, প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা গুরুত্ব পাবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সফরের মধ্য দিয়ে থমকে থাকা প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে। বাড়বে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান।