বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• যেভাবে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, সেভাবেই বাস্তবায়ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী • মোদির মন্ত্রিসভা থেকে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ • পুনর্গঠন হচ্ছে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি, আসছে বড় পরিবর্তন • ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ১২ উপদেষ্টার • সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন • এনওয়াইপিডির বলপ্রয়োগ নীতির বিস্তৃত পর্যালোচনার নির্দেশ মামদানির, জবাবদিহি বাড়াতে নতুন সংস্কার • ইরানের সক্ষমতাকে ভুলভাবে মূল্যায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র : আইআরজিসি • জয়ের আশা জাগিয়েও ড্র করল বাংলাদেশ • বয়স্করা যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন • দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করবে বাংলাদেশ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

​আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়, দেখুন সরাসরি

​আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়, দেখুন সরাসরি

বিজ্ঞাপন
ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মুসল্লায় রাখা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এসে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এরমধ্যে অনেককে খামেনির জন্য কাঁদতেও দেখা গেছে।   সরাসরি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কে ছিলেন?
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটানো ইসলামী বিপ্লবের আদর্শিক নেতা ছিলেন খোমেনি। অন্যদিকে সেই বিপ্লবের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খামেনি।

খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হয়েছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। তার শাসনামলের শুরুতেই এত বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন হতে যাচ্ছে। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এখনও প্রকাশ্যে আসেননি।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের প্রাক্কালে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।

খামেনি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের হুমকি মোকাবিলায় একটি উন্নত প্রতিরক্ষা কৌশল প্রতিষ্ঠা করেন। তার শাসনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ আসে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। সে সময় অর্থনৈতিক দুর্দশাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশব্যাপী অস্থিরতায় রূপ নেয়। পরে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন।

ঠিকানা/এসআর

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz