সংস্কার না হলে জনগণ নিজেকে প্রতারিত ভাবতে পারে : মাহফুজ আলম
ঠিকানা অনলাইন
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৭
•
অনলাইন সংস্করণ
ছবি ঠিকানা
দায়িত্বে এসেই বিএনপি সরকার কিছু মনকাড়া উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিতে পারেনি। তারা যদি কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না করে, তাহলে জনগণ নিজেকে প্রতারিত ভাবতে পারে। এসব কথা বলেছেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এবং অল্টারনেটিভস-এর সংগঠক মাহফুজ আলম।
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেছেন, ‘বিএনপি ১৭ বছরের নিপীড়িত দল। তারা নিজেরাও রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলেছে। কিন্তু এখন বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয়, গুম অধ্যাদেশ, পুলিশ সংস্কার- এ ধরনের অধ্যাদেশ তারা বাতিল করেছে। তাই সংস্কার বিষয়ে তাদের রোডম্যাপ স্পষ্ট নয়। উন্নয়নের রাজনীতি খারাপ কিছু নয়। কিন্তু মানুষ যে সংস্কার চেয়েছে, সেটাও করতে হবে।’
১৮ জুন বৃহস্পতিবার এই টকশোতে একক অতিথি হিসেবে ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা মাহফুজ আলম। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। চব্বিশের জুলাই আন্দোলন থেকে বর্তমান সময়- প্রায় দুই বছরে দেশের সরকার ও রাজনীতির নানা বাঁকবদল নিয়ে কথা বলেন অতিথি।
ড. ইউনূসের আমলে হওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সাময়িক সময় কিছু সুবিধা দেবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি ক্ষতিকর বলে মনে করেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, ‘যেকোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি হতেই পারে। সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের উচিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি যাচাই করে এটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া। কারণ স্বার্থগত জায়গায় এতে অসাম্য রয়ে গেছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর একাধিক উপদেষ্টা গণমাধ্যমে বলেছেন, বিগত এই সরকারের কিচেন কেবিনেট ছিল, যাতে তাদের প্রবেশাধিকার ছিল না। ড. ইউনূসের সেই বলয়টি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিত। তবে কোনো ছাত্র উপদেষ্টা কিচেন কেবিনেটে ছিলেন না বলে দাবি করলেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তার ভাষ্যমতে, ‘ড. ইউনূসকে আমরা নিয়োগ দিলেও নিয়োজিত হওয়ার পর তিনি তার মতো করে কাজ করেছেন। সেই সরকারে আলাদা করে মুরব্বিদের বৈঠক হতো। সেখানে আমরা ছাত্ররা ছিলাম না।’