বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন • বিশ্বের চোখে বাংলাদেশের  মর্যাদা ব্যাপক ক্ষুণ্ন করছে শাহজালাল বিমানবন্দর! • শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন • জঙ্গল সলিমপুরে হবে পুলিশ একাডেমি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী • নিউইয়র্কে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর বাংলাদেশি খোকনের মরদেহ উদ্ধার • চট্টগ্রামের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি সই • বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু • নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার • নিউইয়র্ক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া—যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দুর্গোৎসবের মহাধুম • ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের নগ্ন মূর্তি'র নাম ‘দ্য অরেঞ্জ প্লেগ’

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু

পোস্ট দিয়ে মাস্কের উচ্ছ্বাস
বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্পেসএক্সের নির্বাহী স্টেফানি বেডনারেকের একটি পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করে মাস্ক লেখেন, ‘Starlink connecting Bangladesh!’
 
স্পেসএক্সের বাণিজ্যিক বিক্রয় বিভাগের প্রধান স্টেফানি বেডনারেক জানান, স্টারলিংক মোবাইলের মাধ্যমে এখন বাংলাদেশের লাখো মানুষ অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। বিশেষ করে যেসব এলাকায় প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের কাভারেজ নেই, সেখানে এ সেবা যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করবে।

বেডনারেক এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, সেলুলার নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা এলাকায় স্টারলিংকের প্রযুক্তি অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা দেবে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও ভ্রমণকারীরা যোগাযোগের আওতার বাইরে থাকলেও সংযুক্ত থাকতে পারবেন।

স্টারলিংক জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে লাখো গ্রাহক সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও বিভিন্ন অ্যাপে বার্তা পাঠানো, অবস্থান শেয়ার করা এবং যোগাযোগের সুবিধা পাবেন।

সম্প্রতি বাংলালিংক স্টারলিংকচালিত এই সেবা চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের সেবা চালুর ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ।

জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হলে গ্রাহকদের যোগাযোগ ধরে রাখাই এই সেবার অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষ করে জেলেরা, সমুদ্রে কর্মরত মানুষ, ভ্রমণকারী এবং প্রত্যন্ত ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা এ সেবা থেকে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের গভীর সমুদ্র এলাকাতেও সেবাটি কাজে লাগতে পারে। সামঞ্জস্যপূর্ণ ৪জি ফোন ও বাংলালিংকের সিম থাকলে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় অ্যাপ ও লোকেশন সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

ঠিকানা/এসআর

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz